শিরোনাম:

রাজশাহীতে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শুরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০৯:০৪
অ-অ+
রাজশাহীতে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শুরু

রাজশাহীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ মেলার উদ্বোধন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন রাজশাহী কলেজ মাঠে এ মেলার আয়োজন করেছে।

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘সাহসী নেতৃত্ব ছাড়া দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর তাঁর সন্তান শেখ ওয়াজেদ জয় দেশকে ডিজিটাল করে তুলেছেন। এর সুফল মানুষ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার রাজশাহীতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চারতলা ভবনগুলো ১০তলায় উন্নীত করার পরিকল্পনাও সরকারের আছে। এ জন্য সময়ের প্রয়োজন। এই সময় দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আখতার জাহান, বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আমীর জাফর।

স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এবারের ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় সরকারি-বেসরকারি ৭০টি প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা প্রদর্শন করছে। সেবার ধরন হিসাবে এবারই প্রথম মেলার স্টলগুলোকে নির্দিষ্ট প্যাভিলিয়নে ভাগ করে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্যাভিলিয়ন-১ এ রয়েছে ই-সেবাসমূহ। প্যাভিলিয়ন-২ এ রয়েছে ডিজিটাল সেন্টার, পোস্ট ই-সেন্টার, ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ও ব্যাংক।

আর প্যাভিলয়ন-৩ এ রয়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। এর মধ্যে রয়েছে জেলা ব্র্যান্ডিং, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং রুরাল ই-কমার্স। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট স্টলগুলো রয়েছে প্যাভিলিয়ন-৪ এ। এছাড়া প্যাভিলিয়ন-৫ এ রয়েছে তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্ভাবিত জিনিসপত্র।

মেলার দ্বিতীয় দিন বুধবার বেলা ১১টায় ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক গল্প বলার এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে দুজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনাবেন। সেখান থেকে রয়েছে কুইজ প্রতিযোগিতাও।

মেলার শেষ দিন বৃহস্পতিবার ‘আমার চোখে ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক উপস্থাপনামূলক অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানে ৪০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব মতামত তুলে ধরবে। মেলায় প্রতিদিন বিকালে রয়েছে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানও। বৃহস্পতিবার বিকালে আয়োজন করা হবে সমাপনি ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

ব্রেকিংনিউজ/ এসডিএ/ এসএ