শিরোনাম:

তালিকায় নাম ১৬ হাজার জনের

শূন্যরেখা থেকে আরো ১৯৯ রোহিঙ্গা স্থানান্তর

আবুল বশর নয়ন, বান্দরবান
প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮, ০৪:২৪
অ-অ+
শূন্যরেখা থেকে আরো ১৯৯ রোহিঙ্গা স্থানান্তর

দ্বিতীয় বারের মত বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের সাপমারাঝিরি শূন্য রেখা থেকে রোহিঙ্গাদের উখিয়া শরণার্থী শিবিরে স্থানান্তর শুরু হয়েছে। তিন মাস এগারো দিন পর রবিবার সকালে ৪৬ পরিবারের ১৯৯জন রোহিঙ্গাকে ৭টি বাস ও ২টি ট্রাকে করে উখিয়ার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করছে। তাঁদেরকে সহযোহিতা করছে রেড ক্রিসেন্ট ও রেড ক্রস।
 
এর আগে গত বছর ৩ অক্টোবর ঘুমধুম পাহাড় পাড়া থেকে ৫২ পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে পার্বত্য এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে রোহিঙ্গা স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসন। সে সময় ধারাবাহিকভাবে রোহিঙ্গাদের পার্বত্য এলাকার শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা সরকারের উচ্চ মহল থেকে বলা হলেও গত প্রায় সাড়ে তিন মাস এ কার্যক্রম থমকে ছিল।
 
এদিকে রবিবার সকালে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার আশারতলী সাপমারাঝিরি থেকে ৫০ পরিবারের ২০৭জনকে সরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও তারমধ্যে চার পরিবারের ৮জন সদস্যকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাকিদের মালামালসহ ৭টি বাস ও ২টি ট্রাক যোগে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী সহকারী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আইসিআরসি) অফিসের যুগ্ম সচিব শামসুদৌহা উপস্থিত থেকে রোহিঙ্গা স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তবে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের কোন ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছিল না।
 

যুগ্ম সচিব শামসুদৌহা বলেন, কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য তাঁবু পানি, ল্যাট্রিনসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের শূণ্যরেখা থেকে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে উখিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস.এম সরওয়ার কামাল বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চল থেকে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কুতুপালং ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ২০দিনের মধ্যে সাপমারাঝিরি, বড় ছনখোলা, বাহিরমাঠ ও কোনারপাড়া সীমান্ত থেকে ১৬ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা দরকার।
 
ব্রেকিংনিউজ/নয়ন/জিসা