শিরোনাম:

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যয় হচ্ছে ৫৬১৬ কোটি টাকা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : বুধবার, ০৯ অগাস্ট ২০১৭, ০৮:২৩
অ-অ+
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যয় হচ্ছে ৫৬১৬ কোটি টাকা
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার ফাইল ছবি

ঢাকা:  চট্টগ্রাম শহরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই শহরের অধিকাংশ এলাকা হাঁটু থেকে কোমরপানিতে তলিয়ে যায়। জোয়ারের সময় শহরের নিম্নাঞ্চল নিয়মিত জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। তাই চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এজন্য ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরে বাংলানগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় মোট ১১টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম আমাদের বাণিজ্যিক রাজধানী। দেশের আমদানি রফতানির সিংহভাগই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। গত ২০ বছরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাস্টার প্ল্যানের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় চট্টগ্রাম শহরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই নাজুক হয়েছে। বৃষ্টি ও জোয়ারের সময়  শহরের অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তাই চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০২০ মেয়াদকালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)।’

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো- ফেরী ও পল্টুন নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর‌্যায়), এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

রাজাপুর-কাঠলিয়া- আমুয়া-বামনা-পাথরঘাটা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

কেরানীহাট-সাতকানিয়া-গুনাগরী জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

আগারগাঁওয়ের শেরে বাংলা নগওর পর্যটন ভবন নির্মাণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি ৮২ লাখ টাকা।পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প, এর ব্যয়  ৫৬৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলাধীন বেলগাছা ইউনিয়নের কুলকান্দি ও গুঠাইল হার্ডপয়েন্টের মধ্যবর্তী যমুনা নদীর বাম তীর রক্ষা প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৪ কোটি ৪ লাখ টাকা।

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলাধীন যমুনা নদীর বামতীর সংরক্ষণের মাধ্যমে ভুয়াপুর-তারকান্দি সড়ক রক্ষা প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

সৌর শক্তি ও পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

মহেশখালী পাওয়ার হাব এর ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩২৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এছাড়া এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্প। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে  ৯৪১ কোটি টাকা।

ব্রেকিংনিউজ/এমআই/এনএআর