শিরোনাম:

সরকারি কেনাকাটার শীর্ষ ভাগ এখন অনলাইনে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ০২:৫৫
অ-অ+
সরকারি কেনাকাটার শীর্ষ ভাগ এখন অনলাইনে

সরকারি কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ এখন ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ই-জিপি’র আওতায় এসেছে। অনলাইন ব্যবস্থায় ই-জিপি’র মাধ্যমে একশো কোটি টাকার বেশি মূল্যের কেনাকাটা ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই হারে পৌঁছেছে।
 
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষা ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট ট্যাকনিকেল ইউনিট (সিপিটিইউ) এর মহাপরিচালক মো. ফারুক হোসেন বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এর গ্রহণযোগ্যতার ফলে ই-জিপি’র হার বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ তারা কেনাকাটায় এমন একটি ব্যবস্থা চায় যেটি শারীরিক, মানসিক প্রভাব ও ঝামেলামুক্ত।
 
তিনি বলেন, ই-জিপি’র সফলতা দেশে বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ই-জিপি বাস্তবায়নে শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের ২ জুন ই-জিপি পোর্টালের উদ্বোধন করেন এবং প্রথম দরপত্রের আহ্বান করা হয় ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি পাবলিক প্রাইভেট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল-২০০৮ এর আওতায় এর নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়।
 
ই-জিপি সিস্টেম ২০১২ সালে প্রথম কার্যকর করা হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগে। এসব প্রতিষ্ঠানে এক কোটি টাকার বেশি কেনাকাটার ক্ষেত্রে শতভাগ ই-জিপি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সুফল আসায় এখন অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানেও কেনাকাটায়ও এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
 
সিপিটিইউ এর লক্ষ্য সম্পর্কে ফারুক হোসেন বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল সরকারি কেনাকাটায় স্থিতিশীলতা আনতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এজন্য আরো সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
 
পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩শ’ টির মধ্যে ১২শ’ টি সরকারি কেনাকাটা প্রতিষ্ঠান ই-জিপি’র আওতায় এসেছে। ২০১১ থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট আহ্বান করা দরপত্রের ১ দশমিক ৩৫ শতাংশের বেশি দরপত্র ই-জিপি পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে, যার মূল্য এক লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা।
 
ব্রেকিংনিউজ/জিসা