শিরোনাম:

নরসিংদীতে আখ চাষিদের সাফল্যের হাসি

খন্দকার শাহিন, জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭, ০৪:৫০
অ-অ+
নরসিংদীতে আখ চাষিদের সাফল্যের হাসি
ছবি: ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি

নরসিংদী: চিনি ও গুড় উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল শক্ত আখের চাষ কমিয়ে, হলুদ রঙের গেন্ডারি আখ চাষ করে নরসিংদীর চাষিদের মুখে সাফল্যের হাসি ফুটেছে। চলতি অর্থবছরে আখের ফলন খুব ভাল হওয়ায় বাজারে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এবার দাম বেশি হওয়ায় লাভবান হবে বলে মনে করছেন এ জেলার আখ চাষিরা। 
 
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, শিবপুর উপজেলায় এবার ২৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ চিবিয়ে খাওয়া হলুদ গেন্ডারি, মিশ্রিমালা, অমৃত, ঈশ্বরদী-২৪, ২৮, কাজলা, টেনাই, পটাপটি জাতের। চিনি বা গুড় করার জন্য শক্ত জাতের আখের চাষ নেই বললেই চলে। উপজেলার মুন্সেফেরচর, শালুরদিয়া, খড়িয়া ও দুলালপুর এলাকায় আখ চাষ বেশি হয়েছে। সেই সাথে সদর উপজেলার নুরালাপুর,মইষাশুরা,আমদিয়ায় কিছু কিছু স্থানে আখ ফলন ভালো হয়।

কৃষকরা জানান, এক সময় শিবপুরেও ব্যাপক চাষ হতো। কৃষকরা ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং নানা অব্যবস্থাপনায় জেলার দেশবন্ধু সুগার মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন এ জাতীয় আখ চাষ হয় না। তবে চিবিয়ে খাওয়া আখের চাহিদা ব্যাপক। এটি লাভজনক ফসল। বছরে একবার ফলন হলেও বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা আয় হয়।

মুন্সেফেরচর গ্রামের কৃষক রতন মিয়া এ বছর ১০৫ হেক্টর জমিতে হলুদ রঙের গেন্ডারি চাষ করেছেন। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকা উৎপাদন খরচ হয়েছে। তিনি আখ বিক্রি শুরু করেছেন। এতে তার ২ লাখ টাকা আয় হবে বলে জানান। 

খড়িয়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ৫৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছেন। এতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি জমিতেই পাইকারদের কাছে ৯৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। কৃষি বিভাগ তাদের প্রশিক্ষণ দিলে আখ চাষ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে। 

শিবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হানিফ সিকদার জানান, এ বিষয়ে কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেয়া হবে।

ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি/ এমএইচ