শিরোনাম:

নীল নদেও সোনার খনি!

মজার খবর ডেস্ক, ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : রবিবার, ০৬ অগাস্ট ২০১৭, ০৮:৫৮
অ-অ+
নীল নদেও সোনার খনি!
ছবি: ওয়েবসাইট

ঢাকা: নীল নদের কথা শুনলেই মনে পড়ে যায় সেই ইতিহাস বিজড়িত জায়গার কথা। আরও মনে পড়ে যায় মিশরীয়দের কথা। সেই যুগে কত কিছুতে তারা অবদান রেখেছিল তা আজও মানুষ ব্যাবহার করে তার ফল ভোগ করছে। আর পিরামিডের কথা তো বলতেই হবেনা এটা সবার মুখে মুখে। কিন্তু সেই নীল নদে নাকি সোনার খনি ছিল! তা আজ প্রকাশ পাচ্ছে। সেই সময়কার মানুষ তা বুঝতেই পারেনি। সেই যুগের মানুষ এতকিছুতে পারদর্শী ছিল অথচ এই বিষয়টি তারা বুঝতে পারেনি এটা ভেবে পুরাতত্ত্ববিদদের মাথা খারাপ হওয়ার উপক্রম। 

১১টি দেশের উপর দিয়ে বয়ে গেছে নীল নদ। নীল নদ নামটি মাথায় এলেই সর্বাগ্রে চোখের সামনে ভেসে ওঠে মিশরের মরুভূমি, উট, পিরামিড। কিন্তু, এগুলো ছাড়াও এই নদের সঙ্গে যোগ রয়েছে আরও অনেক কিছুরই। 

সম্প্রতি, সেই নীল নদের পাড়েই পুরাতত্ত্ববিদরা এক নতুন সমাধিক্ষেত্র জনসমক্ষে আনলেন। ২০১৫ সালেই আবিষ্কার করা হয়েছিল এই সমাধিস্থলটি। কিন্তু, ২০১৭ সালে তা সম্পূর্ণভাবে উদ্ঘাটিত হয়। 


মিশরে প্রবেশের আগে, নীল নদ বয়ে আসে সুদানের মধ্যে দিয়ে। দক্ষিণ সুদানের নুবিয়ার সাই আইল্যান্ড এক সময়ে মিশরের অধীনে ছিল বলে জানা যায়। প্রায় ৩৪০০ বছর আগে, মিশরীয়রা এই দ্বীপে শুধু যে বসবাস করত, তাই নয়। তারা সেখানে দুর্গও নির্মাণ করে বলে জানিয়েছেন পুরাতত্ত্ববিদ ও ঐতিহাসিকরা। 

তাদের তথ্য অনুয়ায়ী, এই সাই দ্বীপেই এক সময়ে ছিল সোনার খনি। 

পুরাতত্ত্ববিদদের মতে, সাই আইল্যান্ড খুঁড়ে যে সমাধি পাওয়া গেছে, তা মূলত সেই সোনার খনির মজদুরদেরই। মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেছে নানা প্রাচীন মিশরীয় নিদর্শন। সঙ্গে সোনার আংটি, সিরামিকের বাসনও। পাওয়া গেছে মমিও, কিন্তু সম্পূর্ণ অবস্থায় নয়। তাই পুরাতত্ত্ববিদের দল সঠিকভাবে বলতে পারছেন না কতজন মানুষের মমি উদ্ধার করা হয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি/এসজেড