শিরোনাম:

ভারতে হজভর্তুকি প্রত্যাহার

ভারত ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮, ০৫:৫৪
অ-অ+
ভারতে হজভর্তুকি প্রত্যাহার

হজে সরকারি ভর্তুকি প্রত্যাহার করায় এখন থেকে জাহাজে করে সৌদি আরব গমন করতে হবে অনেক ভারতীয় হাজিকে। এ নিয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন দেশটির সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি।

এর আগে হজে ভারত সরকার ভর্তুকি দেবে কি না- এ নিয়ে দেশটিতে হয় নানা বিতর্ক। শেষ পর্যন্ত নানা আপত্তি ও সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশনা মেনে হজ ভর্তুকি তুলে দেয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু করে ভারত সরকার। এরই অংশ হিসেবে জাহাজে করে হজে যাওয়ার পদ্ধতি করে চালু করা হচ্ছে।

মুখতার আব্বাস নাকভি জানান, জাহাজে করে হাজিদের পাঠানো নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের। এখন এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

ভারতে ব্রিটিশ শাসনামল থেকে সরকারিভাবে মুম্বাই থেকে জেদ্দা পর্যন্ত হাজিদের জন্য জাহাজসেবা চালু করা হয়। তবে ১৯৯৫ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয়।

ভারত থেকে প্রতি বছর এক লাখের বেশি মুসলিম হজ করতে যান। তাদের বেশিরভাগই বিমান টিকেটের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ভর্তুকি পেতেন। সত্তরের দশকে ইন্দিরা গান্ধী সরকারের সময় থেকে চালু হওয়া হজ ভর্তুকি নিয়ে ভারতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিতর্ক বেড়েছে।

কয়েক বছর আগে সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে ২০২২ সালের মধ্যে হজ ভর্তুকি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তাদের ভাষ্যমতে, হজে ভর্তুকি ইসলামি অনুশাসন-বিরোধী। এই ভর্তুকি বরং মুসলিম নারীদের শিক্ষায় ব্যবহার করা যুক্তিযুক্ত।

মন্ত্রী নাকভি জানান, জাহাজ এখন অনেক আধুনিক, আরামাদয়ক এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন। আগে যেখানে মুম্বাই থেকে জেদ্দা যেতে ১৫ দিন লেগে যেতো, এখন তিন-চার দিনেই যাওয়া সম্ভব।

এদিকে হজে ভর্তুকি তুলে দিতে ভারত সরকার উদ্যোগ নিলেও, হিন্দুদের বেশ কিছু ধর্মীয় আচারে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভর্তুকি নিয়েও বিতর্ক দানা বাঁধছে। পরিসংখ্যান মতে, এক কুম্ভমেলার জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বছরে এক হাজার কোটির বেশি রুপি খরচ করে।

ব্রেকিংনিউজ/ আরএস