শিরোনাম:

এমএনপি চালু হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে টেলিটক-সিটিসেল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি

প্রকাশিত : শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৭, ০৫:৩৩
অ-অ+
এমএনপি চালু হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে টেলিটক-সিটিসেল

ঢাকা: অসম বাজার প্রতিযোগিতা আইন না করে বর্তমান অবস্থায় নাম্বার অব পোর্টাবিলিটি (এমএনপি) চালু হলে রাষ্ট্রীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান টেলিটক এবং একমাত্র দেশীয় বেসরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠান সিটিসেল গ্রাহক হারাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। 

একই নাম্বার অপরিবর্তিত রেখে অন্য অপারেটরে যাওয়াকেই এমএনপি বা নাম্বার পোর্টাবিলিটি বলা হয়। শনিবার (১২ আগস্ট) সংগঠনটির সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এমএনপি ব্যবস্থা দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের প্রায় ৭০ টি দেশে রয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানেও রয়েছে। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থা চালু করার জন্য সরকার ২০১২ সালে প্রথম উদ্যোগ নেয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৩ জুন মুঠোফোন অপারেটরদের এ ব্যবস্থা চালু করার একটি নির্দেশনাও দিয়েছিল বিটিআরসি। নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে গ্রাহকদের এ সুবিধা দিতে হবে। ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ নিয়ে অনলাইনে গ্রাহকদের মতামত নেয় বিটিআরসি।’

মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘তারপরও আমাদের দেশে ৯৯ ভাগ গ্রাহকই এ বিষয়ে অবগত নয় বলে আমরা লক্ষ্য করেছি। দেশের অপারেটররা এ বিষয়ে পারদর্শী না হওয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করে। তারা হলো রিভ নাম্বার লিঃ, গ্রিনটেক ইন্টারন্যাশনাল, ইনফোজিলিয়ন বিডি, টেলিটেক কনসোর্টিয়াম, ব্রাজিল বালাদেশ কনসোর্টিয়াম। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, ‘এমএনপি চালু হলে গ্রাহক হিসেবে আমাদের সুবিধাই বেশি। যদিও শর্তে বলা আছে গ্রাহক ৩০ টাকার বিনিময়ে অন্য অপারেটরে যেতে পারবে পূর্বের নাম্বার অপরিবর্তিত রেখেই। তবে ৯০ দিনের মধ্যে অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে না।তাই সংগঠনটির পক্ষ থেকে কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।’

পর্যবেক্ষণগুলো হচ্ছে- প্রথমত, অন্য অপারেটরে যাবার বেলায় ৩০ টাকার সাথে আরও ১০০ টাকার ভ্যাট কে প্রদান করবে তা পরিষ্কার করা দরকার।

দ্বিতীয়ত, দেশের বর্তমান যে নেটওয়ার্ক অবস্থা তাতে গ্রাহক এমএনপি করেও খুব একটা ভাল সেবা নাও পেতে পারে।

তৃতীয়ত, কলরেটের সর্বনিম্ন (অফনেট) এর হার ঠিক না করে এমএনপি চালু করলে গ্রাহক সেবার সাশ্রয়ের বদলে খরচ বাড়তে পারে।

চতুর্থত, অসম বাজার প্রতিযোগিতা আইন না করে এমএনপি চালু করলে রাষ্ট্রীয় টেলিকম অপারেটর টেলিটক এবং সিটিসেল গ্রাহক শুন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

পঞ্চমত, রেলের ফাইবার অপটিক একটি অপারেটরকে না দিয়ে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া উচিত।

ব্রেকিংনিউজ/এমআই/এনএআর

সম্পর্কিত বিষয়ঃ   ভারত