শিরোনাম:

বছরে দেশে আসছে ৫০ লাখ চোরাই হ্যান্ডসেট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : শনিবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:৪৬
অ-অ+
বছরে দেশে আসছে ৫০ লাখ চোরাই হ্যান্ডসেট

ঢাকা: দেশে বছরে বৈধপথে হ্যান্ডসেট আমদানি হচ্ছে আড়াই থেকে ৩ কোটি। যার বাজার মূল্য ৮ হাজার কোটি টাকা। আর সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বছরে অবৈধ পথে দেশের বাজারে প্রবেশ করছে প্রায় ৫০ লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট। 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ফাঁকি ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয়ার পাশাপাশি দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনে প্রণোদণা ছাড়াও বিভিন্ন সুবিধা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার এর মধ্যে দেশের বাজারে হ্যান্ডসেট উৎপাদনের পরিবেশ তৈরিতে ট্যাক্স কাঠামো পরিবর্তন করেছে। ইতোমধ্যে সংস্থাটি হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের খসড়া নির্দেশনা তৈরি করেছে।


তবে এই উদ্যোগ কতটা কাজে আসবে তা নিয়ে সন্দিহান আমদানি সংশ্লিষ্টরা।  মোবাইল আমদানির ওপর শুল্ক বাড়ানোর ফলে ফাঁকির প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করেন তারা।  

তারা বলছেন, দেশে মোট হ্যান্ডসেটের ২০ শতাংশ আসে অবৈধ পথে। এই চোরাই মোবাইলে সরকার কোনও রকম রাজস্ব পায় না। আর দিন দিন সরকার আমদানির ওপর ট্যাক্স যত বাড়াচ্ছে ততই চোরাই পথে হ্যান্ডসেট আমদানি উৎসাহিত হচ্ছে। 

বর্তমানে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, আমদানিকারকদের অগ্রিম আয়করসহ নানা খাতে প্রায় ৩২ শতাংশ ট্যাক্স আছে মোবাইল ফোনের ওপর। ফলে বিটিআরসির তথ্য অনুসারে ৫০ লাখ হ্যান্ডসেট যদি অবৈধ পথে ঢোকে তার বিপরীতে ট্যাক্সের পরিমাণ বিবেচনায় সরকারের লোকসানের পরিমাণ অনেক বেশি-এমনটাই বলছিলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আমদানিকারক।

তিনি বলেন, মূলত বেশি দামের হ্যান্ডসেটগুলোই অবৈধপথে দেশে প্রবেশ করে। ফলে একেকটি সেটের বিপরীতে সরকারের লোকসানও হয় অনেক।

আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে ২০১৬ সালে সব মিলে ৩ কোটি ১০ লাখ হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়েছে। যার মধ্যে ৮২ লাখ স্মার্টফোন।
ব্রেকিংনিউজ/ইহক/এনএআর