শিরোনাম:

অনলাইন শপিং প্রতারণা বেড়েই চলেছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭, ০৯:৩৭
অ-অ+
অনলাইন শপিং প্রতারণা বেড়েই চলেছে

ঢাকা: বর্তমান ডিজিটাল যুগে মানুষ কেনাকাটায় সময় নষ্ট বা কষ্ট করে মার্কেটে যেতে চায় না। ঘরে বসে হাতের নাগালেই পেতে চায় প্রয়োজনের সব কিছু। আর সেজন্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে শপিংয়ের প্রতি ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছে মানুষ। বিশেষত যারা শহুরে নাগরিক। সময়ের পরিবর্তন যেমন হয়েছে তেমনি মানুষের জীবনধারাও পরিবর্তন হয়েছে। ইন্টারনেট সবার হাতে হাতে থাকায় স্বশরীরে নয়, কেনাকাটায় দ্বারস্থ হই অনলাইনে শপিংগুলোর সাইটের। 

আর এই সুযোগটিই গ্রহণ করছে এক শ্রেণির প্রতারক চক্র। অনলাইনে পণ্য কিনে হয়রানির অভিযোগও মিলছে বিস্তর। ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর অনলাইন শপিং নামের প্রতারণার অভিযোগ পেলে যেমন তাদেরকে জরিমানা করে তেমনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো অভিযুক্ত বা প্রতারকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে। তবুও অনলাইন শপিং প্রতারণার ঘটনা একের পর বেড়েই চলেছে।

চট্টগ্রামে অনলাইন শপের নামে একটি প্রতারণার ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার প্রতারক চক্রের দুজনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। বহুল জনপ্রিয় একটি অনলাইন শপিং সাইটে পণ্যের চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে পরে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস গছিয়ে দেয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশ ।

সিওএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো.আকরামুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার বন্দরনগরীর পাঠানটুলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন খন্দকার (২২) ও সাজ্জাদ নেওয়াজ খান (৩২) নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত মোবাইলের ১টি সিমসহ বেশ কিছু ছিনতাইকৃত সিম, ১টি স্যামসাং সেট, ও ১টি ছোরা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন খন্দকারকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ডিবি পুলিশকে জানান, সে ওই অনলাইন শপিং সাইটে তার মোবাইল নং-০১৮২৮-০৯৯৫৫৬ (ব্যক্তিগত বিকাশ অ্যাকাউন্ট), ০১৬৩১-৭৫৭১৩৫ দিয়ে ‘‘অনলাইন শপ’’ এবং ‘‘২৪.কম’’ নামে আইডি খুলে বিভিন্ন মোবাইল, ক্যামেরা, ল্যাপটপ এর ছবির বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইনের ক্রেতাদের প্রলুব্ধ করে এবং অরিজিনাল পণ্য বিক্রয়ের নামে বিকাশে এবং এস.এ পরিবহনে টাকা আদায় করে। বিনিময়ে অরিজিনাল পণ্যের প্যাকেটে নষ্ট, পুরাতন অথবা চায়না সস্তা মোবাইল পাঠিয়ে থাকে।

প্রতারক সুমন খন্দকার রিফাত নামে পরিচয় দিয়ে তিনি একজন মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানিকারক বলে ক্রেতাদের আকর্ষণ করেন। ঢাকা, সিলেট, সাভার, নওগাঁসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অসংখ্য লোকদের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রতারণা করেছেন বলেও অভিযোগ আছে।

জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ নেওয়াজ খান ব্রেকিংনিউজকে জানান, অজ্ঞাত আরও কয়েকজন মিলে তারা মহানগরীর দেওয়ানহাট, টাইগারপাস, বাদামতলী, চৌমুহনী এলাকায় ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং ছিনতাইকৃত মোবাইলের সিম দিয়ে তারা বিভিন্ন লোকের কাছে বিকাশে চাঁদা দাবি করে।

ব্রেকিংনিউজ/এমআরএস/এমআর