শিরোনাম:

‘আ.লীগে ময়লা থাকলে পরিষ্কার করা দরকার’

আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম
প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৩১
অ-অ+
‘আ.লীগে ময়লা থাকলে পরিষ্কার করা দরকার’

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে টানা তিন মেয়াদে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। ছাত্রজীবন থেকেই জড়িত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে ওঠা ছাত্রলীগের সঙ্গে। ১৯৮১ সালে মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও পরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের পুরস্কার হিসেবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা মাদারীপুর-৩ আসন থেকে তাকে মনোনয়ন দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেখানেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

ঢাকার রাজনীতিতেও এই রাজনীতিক পাকা অবস্থান করে নিয়েছেন। জনপ্রিয়তায়ও অনেকটাই এগিয়ে আছেন। অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ সম্প্রতি ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি-এর মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন দেশের চলমান বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে। তার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে প্রাসঙ্গিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তার সঙ্গে এসব কথায় যুক্ত ছিলেন ব্রেকিংনিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক এ কে এম ইমরান হোসাইন।

ব্রেকিংনিউজ : সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের কী কী পরিকল্পনা রয়েছে?

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম : সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয় লাভের সবোর্চ্চ চেষ্টা চালনো হবে। একটি অবাদ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্যমে জনগণের রায় যাতে আমাদের পক্ষে আসে সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করব। নৌকার পক্ষে যেন জনগণের রায় আসে সেজন্য সকল ইতিবাচক প্রচেষ্টা চালাবো আমরা।

ব্রেকিংনিউজ : শোনা যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম আপনাদের কাছে আগামী নির্বাচনে ২০টি আসন চাইতে পারে। এমনও শোনা যাচ্ছে- যদি তাদের ২০টি আসন দেওয়া হয় তাহলে তারা সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসবে। এ বিষয়ে আপনারা দলীয়ভাবে কী চিন্তুা করছেন? আপনার ব্যক্তিগত অভিমত কি?

নাছিম : এসব কথা তো কতজনেই বলে। এভাবে আসন দিয়ে অতীতে কখনও নির্বাচন হয়েছে? অতীতেও যেমন দেওয়া হয়নি আগামীতেও দেয়া হবে না। দলের ভেতর থেকে কেউ যদি এমন কথা বলে থাকে তাহলে নিজের প্রচারের জন্য বলেছে। আমাদের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক একজনই। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। উনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে। এর বাহিরে কেউ কিছু বলেতে পারবে না।’

ব্রেকিংনিউজ : হেফাজতে ইসলামকে নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনও পরিকল্পনা রয়েছে কি?

নাছিম : হেফাজতকে নিয়ে আমাদের কোনও পরিকল্পনা নেই। আর হেফাজতও নিজেদেরকে রাজনীতিক দল হিসেবে মনে করে না। 

ব্রেকিংনিউজ : যদি হেফাজতে ইসলাম রাজনীতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত হয় তাহলে কী করবে আওয়ামী লীগ?

নাছিম : যদি তারা নিবন্ধিত হয়ে আসে তাহলে তাদের নিয়ে নতুন করে চিন্তা করা হবে। ১৭ কোটি জনগণের দেশে তাদের জনসমর্থন কি রকম আছে, আগমী নির্বাচনে তারা কেমন প্রভাব ফেলতে পারে সেই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আবার অনেক দল আছে তাদের নিবন্ধন আছে কিন্তু জনসমর্থন নেই।  

ব্রেকিংনিউজ : আগামী জানুয়ারি মাসে ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করতে চায় হেফাজতে ইসলাম। এ বিষয়টি আপনারা কিভাবে দেখছেন?

নাছিম : তারা এখনো তো অনুমতির জন্য আবেদন করে নাই। আগে তারা অনুমতির জন্য আবেদন করুক তারপর দেখা যাবে।

ব্রেকিংনিউজ : ওলামা লীগ বন্ধের পর ইসলামী ফোরাম গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এই ফোরাম গঠনের অগ্রগতি কতটুকু?

নাছিম : ওলামা লীগকে বন্ধ করা হয়েছিল তাদের কিছু কার্যক্রমের জন্য। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যদি এখন সিদ্ধান্ত হয় ইসলামী ফোরাম হবে দলের একটি সহযোগী সংগঠন তাহলে হতে পারে। এখনও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। হলে জানানো হবে।

ব্রেকিংনিউজ : আওয়ামী লীগে জামায়াতে ইসলামের লোক ঢুকছে বলে সম্প্রতি অপেন-সিক্রেট গুঞ্জন উঠছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?

নাছিম : ১৭ কোটি জনগণের দেশে এ রকম একটি দুটি ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দলে ঢুকায় সেটা তার দায়বদ্ধতা। তবে জামায়াতের ব্যাপারে রাজনীতিকভাবে আমাদের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের দলের নীতি হল, জামায়াত-বিএনপির কোনও জায়গা আমাদের দলে নাই। যারা স্বাধীনতাযুদ্ধে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের ব্যাপারে আমাদের দলের কঠোর সিদ্ধান্ত আছে। আর বিএনপির ব্যাপারেও আছে। বিএনপি ছাড়াই তো আমরা দলের নির্বাচনে জয়ী হয়েছি। তাই আমি বলব যদি জামায়াত-বিএনপি থেকে কেউ আসে তাহলে তারা অনুপ্রবেশকারী। যদি আমরা ধরতে পারি যে কেউ জামায়াত-বিএনপি থেকে এসেছে তাদের ব্যাপারে অবশ্যই কঠোর হবো।

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপি বিভিন্ন সময় অভিযোগ করছে যে, আওয়ামী লীগ গোপনে জামায়েতে ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এ ব্যাপারে আপনাদের কী মন্তব্য?

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম : আওয়ামী লীগ কী করে তা নিয়ে বিএনপির এতো মাথা ব্যথা কেন? তারা কেন জামায়াতকে ছাড়ছে না? বিএনপি ’৭১-এর রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে দল পাকিয়ে জোট করে নির্বাচন করে। ক্ষমতায় যায়। সিট ভাগাভাগি করে। তারা রাজাকারদের নিয়ে জাতীয় সংসদে যায়। স্বাধীনতাবিরোধীদের মন্ত্রী বানায়। এর জবাব দেয় না কেন বিএনপি? এর জবাব দিতে হবে তাদের। বাংলাদেশের মানুষ এর জবাব চায়। তাই বলব- আওয়ামী লীগ নিয়ে চিস্তা না করে তারা তাদের দলের কথা চিন্তা করুক। আর এসব প্রশ্নের জবাব দিক।

ব্রেকিংনিউজ : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বিএনপির মহাসচিবের কথা হয়েছে কিছু দিন আগে। বিএনপি যে আলোচনার দাবি জানাচ্ছে এর মাধ্যমে কি তার কোনও অগ্রগতি হতে পারে?

নাছিম : দেখা হলেই যে আলোচনা হতে হবে এমনটা তো কথা নেই। আমি যতটুকু জানি তাদের মধ্যে দেখা হয়েছে একটি এয়ারপোটে। আর দেখা তো হতেই পারে, কথা হতেই পারে। এটিই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যদি দেখা হওয়ার পর কথা না হয় তাহলে হবে অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর সাথে আলোচনার কোনও সম্পর্ক নেই।



ব্রেকিংনিউজ : ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্ব বেশ কিছু দিন ধরে চলছে। যা প্রকাশ পায় গত ১৬ নভেম্বর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার সামনে ময়লা ফেলে সভায় বাধা দেওয়ার মাধ্যমে। এ ব্যাপারে দলের কী সিদ্ধান্ত?

নাছিম : ময়লা যেখানে থাকে সেখানে কেউ যেতে চায় না। কারণ ময়লা দূর্গন্ধ ছড়ায়। ময়লা সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে সভা করা ভাল জিনিস। দেশের রাজনীতির জন্য ইতিবাচক। এখন আমি মনে করি, দলের ভেতরেও যদি কোন ময়লা থাকে তাহলে দূর করা দরকার। কারণ বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং ঐতিহাসিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ পরিচিত। এখন যদি দলের ভেতরে এ ধরনের কোনও ময়লা দলের শান্তি বিনষ্ট করে, নেতৃত্বে বাধা সৃষ্টি করতে চায় তাহলে এগুলো পরিষ্কার করা দরকার। আর সেটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই হবে।

ব্রেকিংনিউজ : আওয়ামী লীগে অভ্যন্তরে দিন দিনই দ্বন্দ্ব বাড়ছে। এমনকি সেই দ্বন্দ্ব তৃণমূলেও পৌঁছে গেছে। এ দ্বন্দ্ব নিরসনে  বিভিন্ন বিভাগে দলের দায়িত্বে থাকা নেতারা কতটুকু সফল বলে আপনি মনে করছেন? কিংবা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই দ্বন্দ্ব নিরসনে দলীয় পদক্ষেপ কী?

নাছিম : যে নদীতে স্রোত বহমান সেই নদীতে স্রোতের ভেতরে কিছুটা ময়লা থাকতেই পারে। আওয়ামী লীগেও তেমনই। তবে সেটা কতটুকু সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। আর আমাদের দলে একটা ঘটনা ঘটেছে সেটা তো কখনো বলি নাই ঘটে নাই। অন্যদিকে যে নদীতে কোনও স্রোতই নেই সেখানে ময়লা আসবে কোথা থেকে? তাই আমি বলব অনেকটাই সফল আমরা। আর সময় মতো সব দ্বন্দ্বই নিরসন হয়ে যাবে। আসলে এগুলো দ্বন্দ্ব নয়, সাময়িক মনমালিন্য। 

ব্রেকিংনিউজ : আগামী নির্বাচনে আপনি একজন প্রার্থী হিসেবে জয় লাভের জন্য কেমন সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন?

নাছিম : আমি নির্বাচনের একজন প্রার্থী হিসেবে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার এলাকায় প্রতিদিনই প্রচারণা চালছে। তৃণমূলে আমার সংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। আওয়ামী লীগকে জয় লাভ করানোর জন্য সব ধরনের ইতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।

ব্রেকিংনিউজ : আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়নের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কী কী যোগ্যতার প্রতি বেশি নজর দেয়া হবে?

নাছিম : আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবে তাকেই জয় লাভ করানোর জন্য কাজ করবে সবাই। এক্ষেত্রে কার জনসমর্থন রয়েছে, তৃণমূলে কার বেশি গ্রহণযোগ্যতা আছে, কোন প্রার্থী বেশি কাজ করছে দলের জন্য- এসব বিষয়গুলোর প্রতি নজর রেখেই মনোনয়ন চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছি।

ব্রেকিংনিউজ : আপনাদের সরকারের সময়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রংপুরে হিন্দুদের ওপর হামলা করার ঘটনায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না? আর আগামী নির্বাচনে কি এর কোনও প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করেন? 

নাছিম : রংপুরে যে ঘটনাটি ঘটেছে এটি খুবই নিন্দনীয়। যার নামে ফেসবুকে আইডি খুলে একটা বার্তা দেওয়া হয়েছে এটা তদন্ত করা হচ্ছে। যার আইডি থেকে করা হয়েছে সে নাকি জানেই না। এখন যদি এ ঘটনা সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে এটা ষড়যন্ত্র বলব। এ ঘটনা তদন্ত করে বের করে আনা হবে। আর যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ক্ষতিপুরণ দেয়া জনমনে স্বস্তি ফেরানোর সব ধরনের ব্যবস্থা সরকার নিচ্ছে। এ ঘটনায় নির্বাচনে প্রভাব পড়বে বলে মনে হয় না।

ব্রেকিংনিউজ : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কিছুদিন আগে এক জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যে তিনি বলেছেন- আওয়ামী লীগ যদি ৮০ পয়সা হয় তাহলে তারাসহ অন্যান্যরা মিলিয়ে ২০ পয়সা। এটা আপনারা কিভাবে দেখছেন?

নাছিম : এটা তার একটা নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। এটা সত্য হতেও পারে নাও হতে পারে। এটা সত্য কি সত্য না তা বলবে জনগণ। ভবিষতে এর উত্তর পাওয়া যাবে। এখন তো এর উত্তর আমি দিতে পারবই না।

ব্রেকিংনিউজ : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুব-উল হানিফের সাথে তথ্যমন্ত্রীর একটা দ্বন্দ্ব চলছে। কুষ্টিয়ায় তাদের কর্মীদের মধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষও হয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?

নাছিম : ব্যক্তিগত পর্যায়ে সমস্যা থাকতেই পারে। এ নিয়ে রাজনীতিতে জোটের মধ্যে কোনও সংকট সৃষ্টি হবে না। হওয়া উচিত না। আর হওয়ারও কোনও সম্ভাবনাও নেই। 

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপি অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছে তত্বাবধায়ক সরকার বা সহায়ক সরকারের। তারা বলছে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে যাবে না। শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে বলে মনে করছেন? 

নাছিম: বিএনপি তাহলে কার অধীনে নির্বাচনে যাবে? এটা কি তারা বলেছে? এটা তাদের বায়োবীয় কথাবার্তা। একটা দেশ পরিচালিত হয় সংবিধানের ভিত্তিতে। সংবিধানে যেভাবে উল্লেখ আছে সেভাবেই নির্বাচন হবে। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশেও একইভাবে নির্বাচন হয়। নির্বাচনের সময় শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী তাঁর দায়িত্ব পালন করবে যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এটা বিএনপিও জানে। আগে তারা বলত তত্ত্বাবধায়ক। তত্ত্বাবধায়ক তো সংবিধানে নেই। এখন বলে সহায়ক। সহায়ক কী? এটা তাদের ‘বলার জন্য বলা’। বলতে তো হবে একটা কিছু- এজন্যই বলে। আমরা আশা করি বিএনপি নির্বাচনে আসবে। তারা যথেষ্ট আগ্রহ নিয়ে নির্বাচনের জন্য তৈরি হচ্ছে। তাদের এই আগ্রহকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

ব্রেকিংনিউজ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম : আপনার মাধ্যমে ব্রেকিংনিউজ পরিবার ও দেশবাসীকেও ধন্যবাদ।

ব্রেকিংনিউজ/আইএইচ/এমআর