শিরোনাম:

চাইনিজ খাবারে যা অজানা

লাইফস্টাইল ডেস্ক, ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : বুধবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ০২:১৭
অ-অ+
চাইনিজ খাবারে যা অজানা

ঢাকা: চানিজের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে। বাঙালিদের চাইনিজ প্রীতির কারণে ঢাকার অলিতে-গলিতে গজিয়ে উঠেছে নানা চাইনিজ রেস্তোরাঁ। নিয়মিত এই খাবার খেতে অভ্যস্ত হলেও আসল চাইনিজ খাবার ঠিক কেমন, তার স্বাদই বা কেমন, কীভাবে খাওয়া হয়- এ সবের প্রায় কিছুই জানি না আমরা। জেনে নিন চাইনিজ খাবার সম্পর্কে এমনই কিছু অজানা কথা।

চাইনিজ রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে আমরা স্যুপ দিয়ে খাওয়া শুরু করি। চাইনিজদের কাছে কিন্তু স্যুপ মোটেও অ্যাপিটাইজার নয়। স্যুপ তারা মেন কোর্স হিসেবেই খেয়ে থাকে।

যদি ভেবে থাকেন চাইনিজ খাবারের মধ্যে নিরামিষ খাওয়ার বেশি সুযোগ নেই তা হলে ভুল ভাবছেন। কারণ চাইনিজরা পশ্চিমীদের তুলনায় অনেক বেশি প্রকার সবজি খেতে অভ্যস্ত। চিনে তেতো শশা, বিভিন্ন রকম শাকের ফলন প্রচুর। যা সবই রান্নায় ব্যবহার করা হয়। 

চাইনিজরা সব কিছুই বাইট সাইজ তৈরি করেন। যাতে সহজেই চপস্টিক দিয়ে খাওয়া যায়। চিনারা ছুরি বা কাঁটা ব্যবহার করেন না। তাদের কাছে ওগুলো অস্ত্র।

চিনারা চাল ও ময়দার পার্থক্য নিয়ে খুব সচেতন। উত্তর চিনে শীত বেশি। তাই ওই অঞ্চলের মানুষরা ডাম্পলিং, নুডলস সবই তৈরি করেন ময়দা দিয়ে। অন্য দিকে দক্ষিণ চিনে শীত কম। সেই অঞ্চলের মানুষরা মূলত চাল দিয়ে তৈরি করেন তাদের মিল।   

আমরা রেস্তোরাঁয় গিয়ে বোনলেস চাইনিজ খাবার অর্ডার করলেও প্রকৃতপক্ষে চিনারা কিছু ফেলেন না। মাংস হাড়সমেত খাওয়ারই রেওয়াজ চিনে। এমনভাবে রান্না করা হয় যাতে হাড় নরম হয়ে যায় ও তা চিবিয়ে খাওয়া যায়।  

সারা বিশ্বের চাইনিজ রেস্তোরাঁয় খাবারের পর ফরচুন কুকি দেয়া হয়। শুধু চিনে দেয়া হয় না। কারণ চাইনিজরা ফরচুন কুকি কী তা জানেন না। ১৯৯০ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে ফরচুন কুকির চল শুরু হয়।   

চাইনিজ খাবারের প্রচুর ফ্লেভার রয়েছে। চাইনিজ মেডিসিন অনুযায়ী যে কোনও খাবের মিষ্টি, টক, নোনতা, তেতো ও ঝাল এই পাঁচ স্বাদের সমতা থাকা প্রয়োজন। সিজুয়ান চাইনিজে যেমন ঝালের মাত্রা বেশি, তেমনই আবার ক্যান্টোনিজ খাবারে ঝাল, মশলার মাত্রা একেবারেই কম।   

চিনে একই খাবার নানা ভাবে তৈরি করা হয়। চিকেন স্টিমড, ফ্রায়েড, স্টার ফ্রায়েড, পিকলড ইন ব্রাইন, ডিপ ফ্রায়েড, রোস্টেড, সঁতে নানা রকম ভাবে রান্না করা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/ এসজেড