শিরোনাম:

জামায়াতের কোনও প্রার্থী নির্বাচন করতে পারবে না: ইসি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭, ০৭:৪৪
অ-অ+
জামায়াতের কোনও প্রার্থী নির্বাচন করতে পারবে না: ইসি
ফাইল ফটো

ঢাকা: নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, ‘একাদশ জাতীয় সংদস নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর চিহ্নিত নেতারা অংশগ্রহণ করতে পারবে না। একই সঙ্গে জামায়াতের কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে তার ব্যাপারেও বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।’ 

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন তিনি।

তবে জামায়াতের কোনও প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে ইসি কোনও আইন করবে কিনা সে বিষয়ে কিছু জানাননি নির্বাচন কমিশনার। 

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার ব্যাপারে বিএনপি যে দাবি করছে তার জবাবে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনাররা সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার শপথ নিয়েছেন। সে শপথ নিয়ে এসে দায়িত্ব পালন করব না, বলব তা হয় না। সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ 

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘নতুন দল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সব শর্ত পূরণ করা হচ্ছে কি না, ইসি তা কঠোরভাবে দেখবে। দোকান ভাড়া নিয়ে বলে দেবে দলীয় কার্যালয় তা হবে না।’
  
সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসনের সীমানা পুনর্নিধারণ সম্ভবত আদমশুমারীর সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এবার কিছু ছিটমহল যুক্ত হয়েছে। ইসি তাদের বাদ দিয়ে চিন্তা করবে না। সেক্ষেত্রে সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি চলে আসতে পারে।’

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রশ্নে মাহবুব তালুকদার আবারও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সেনাবাহিনী থাকাটা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ। তবে এ বিষয়ে ইসি এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। দেশের অবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবেশ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। সময়ই বলে দেবে কীভাবে সেনাবাহনীকে রাখা হবে। কেবলমাত্র অধিকাংশের মতের কোনো মূল্য নাই। ইসি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। ইসি বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়ে স্বচ্ছ নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করবে।’

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘সিআরপিসিতেও বলা আছে সেনাবাহিনীর কমিশন অফিসার কোথাও গণ্ডগোল দেখলে আইনের আওতায় আনতে পারবেন। সে হিসাবে ইসি কোথাও সীমিত হয়ে পড়ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে হেরে গেলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা অনুষঙ্গ আমাদের আছে। তবে আমাদের সকল দায়দায়িত্ব জনগণের কাছে।’  

সময় স্বল্পতার কারণে আগামী জাতীয় নির্বাচনে সারা দেশে ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআই/এমআর