শিরোনাম:

মহানায়কের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:১২
অ-অ+
মহানায়কের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ ১৯ জানুয়ারি (শুক্রবার)। ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
 
তার বাবা রসায়নবিদ মনসুর রহমান ও মা জাহানারা খাতুন রানী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কমল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান বাবার সাথে তার কর্মস্থল করাচিতে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন।
  
১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন তিনি। সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মেজর জিয়া নিজেও ছিলেন সম্মুখসমরে। দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসী ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক হিসেবে জিয়াউর রহমান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। আধুনিক বাংলাদেশের এই রূপকারের হাত ধরে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করেছিল।
 
স্বাধীনতার ঘোষণা যেমন মুক্তিকামী মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিল, তেমনি স্বাধীনতা পরবর্তী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব যখন হুমকির মুখে, তখন সিপাহী জনতার যে অভ্যূত্থান হয় তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসীন হন।
 

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাহসী ভূমিকায় ইতিবাচকভাবে পাল্টে যেতে থাকে দেশের অর্থনীতি। অবকাঠামো উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন, গণশিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রম, গ্রাম সরকার প্রবর্তনসহ তাঁর নেওয়া ১৯ দফা কর্মসূচি দৃষ্টি কাড়ে মানুষের। প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তার গড়া সেই রাজনৈতিক দল তাঁর সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজ দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত।
 
তাঁর জন্মদিন পালন উপলক্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতিহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া আলোচনা সভা আলোকচিত্র প্রদর্শনী, পোস্টার, লিফলেট ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
 
ব্রেকিংনিউজ/ এসএ/জিসা