শিরোনাম:

৬ প্রকল্পে ১৫০০০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান

নিউজ ডেস্ক
১৪ জুন ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 6:17 আপডেট: 8:51
৬ প্রকল্পে ১৫০০০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান

মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেগা প্রকল্প মেট্রোরেল, যমুনা রেল সেতু, স্বাস্থ্য সেবা খাত শক্তিশালীকরণসহ ছয় প্রকল্পের জন্য ১৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার (১৫ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা) ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। 

এ ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণ কাজের জন্য ১ শতাংশ, স্বাস্থ্য ও সেবা খাতের জন্য শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ এবং পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ। এছাড়া ফ্রন্ট এন্ড ফি শূন্য দশমিক ২ শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। ১০ বছরের রেয়াত কালসহ ৩০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি বিনিময় নোট ও ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। 

বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়েচু ইজুমি ও জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাতোসি নিশিকতা চুক্তিতে সই করেন। 

চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৯তম ঋণ প্যাকেজের আওতায় এ সহায়তা দেবে সংস্থাটি। 

এর মধ্যে মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে ২০৩ কোটি টাকা, যমুনা রেলওয়ে ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পে ২ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পে (লাইন-৫) ৫৬২ কোটি টাকা, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন (প্রকল্প-৩) ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, মাতারবাড়ি আলট্রাসুপার ক্রিটিকাল কোল ফায়ার পাওয়ার প্রকল্পে (প্র-৪) ৫ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য সেবা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ৫০১ কোটি টাকা দেবে জাইকা। 

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে কাজী শফিকুল আযম বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী জাপান। চুক্তি হওয়ায় এসব প্রকল্পের মধ্যে যমুনা রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি একেবারেই নতুন। আর ফাস্ট ট্র্যাকভুক্ত প্রকল্প রয়েছে দু’টি। বাকি প্রকল্পগুলোও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রকল্প দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

অনুষ্ঠানে হিরোইয়েচু ইজুমি বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান সরকার ধরাবাহিকভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সেগুলো মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সহায়ক হবে।’

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2