Ads-Top-1
Ads-Top-2

ঈদে খুলনা নগরীতে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, খুলনা
১৪ জুন ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 09:46:00

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদের ছুটির একদিন আগেই ফাঁকা হয়ে গেছে খুলনা মহানগরী। অধিকাংশ মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে ছুটে গেছেন গ্রামে। খুলনা শহর থেকে প্রায় ৫ লাখ মানুষ গ্রামে গিয়েছেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে।
 
বৃহস্পতিবার সরকারি-বেসরকারি অফিসের শেষ কর্মদিবস। অফিস থাকলেও অধিকাংশ চাকরিজীবীরা হাজিরা খাতায় সই করেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ান হয়েছেন। অনেকে আবার অফিস শেষ করে সোজা রওয়ানা দেবেন বাস, লঞ্চ বা রেল স্টেশনের দিকে। ফলে নগরীর রেল স্টেশন, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল ও বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ ঘাটে দেখা গেছে মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে সপরিবারে ঈদ করতে যশোরে রওয়ানা হওয়া বেসরকারি কর্মকর্তা মাহমুদ সাজ্জাদ ব্রেকিংনিউজকে বলেন, ‘কোনো গাড়িতেও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বাসের ছাদেও লোক নেয়া হচ্ছে। আশংকায় আছি সুস্থ্যভাবে বাড়িতে পৌঁছানো নিয়ে।’

পাইকগাছার যাত্রী সরকারি কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ জানান, বাসে উঠতে গিয়ে শ্রমিকদের সাথে বাক বিতন্ডা হয়েছে। তারা ঈদ উপলক্ষে ভাড়া বেশি নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
 
খুলনা রেলষ্টেশন, সোনাডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল, রুপসা বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, কোথাও কোথাও বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ও বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল থেকে নওয়াপাড়া, যশোর, কুষ্টিয়া, কয়রা, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, চুকনগর এলাকামুখী যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে তুলনামূলক ফাঁকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। যে কোন অনাকাংখিত ঘটনার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য খুলনায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ছুটির সময়ে যাতে নগরীতে চুরি, ছিনতাই না হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট তৎপর। 

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী কমিশনার মো: আশরাফ হোসেন ব্রেকিংনিউজ প্রতিনিধিকে বলেন, ‘খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ জননিরাপত্তায় ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কেএমপি এলাকায় ৮৪২ জন পোষাকধারী পুলিশ সদস্য এবং ২৮৪ জন সাদা পোষাকের পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি ৮টি থানা এলাকায় ৩০ এর অধিক ভ্রাম্যমান টিম ঈদ নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে।  কেএমপি পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় দায়িত্ব পালন করবে। অভিজাত আবাসিক এলাকা, বিনোদন স্পট ও ব্যস্ততম এলাকায় সাদা পোশাকেও নজরদারিতে থাকবে কেএমপি পুলিশ।’

এছাড়া র‌্যাবের পক্ষ থেকেও জেলা ও মহানগরীতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ/এসএইচ/এসএএফ

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2