শিরোনাম:

রাজপথে অবস্থানের হুঁশিয়ারি সাংবাদিক নেতাদের

স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
৮ আগস্ট ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 4:26
রাজপথে অবস্থানের হুঁশিয়ারি সাংবাদিক নেতাদের

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় কর্তব্যরত ৪০ জন সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলাকারীদের আগামী শনিবারের ম‌ধ্যে গ্রেফতার করা না হ‌লে পরেরদিন র‌বিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাজপথে অবস্থানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে ।

বুধবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সাম‌নে সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা এ হুঁশিয়ারি দেন। হামলা, হত্যা-নির্যাতন চালিয়ে সাংবাদিক সমাজকে স্তব্ধ করা যাবে না। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে কোনো স্বৈরশাসকের শেষ রক্ষা হয়নি বলেও হুঁশিয়ারি তারা।

বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী। ডিইউজের সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাতের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে মহাসচিব এম. আবদুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খান, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাবেক সভাপতি একেএম মহসিন, ডিইউজে বাসস ইউনিটের প্রধান আবুল কালাম মানিক, দিনকাল ইউনিটের ডেপুটি প্রধান রাশেদুল হক, ডিআরইউ’র সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল কবীর সুমন, সাবেক অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল, ডিইউজে নেতা এইচ এম আল আমীন প্রমুখ।

অন্যান্যের মধ্যে মিছিল সমাবেশ অংশগ্রহণ করেন সাংবাদিক নেতা নূরুল আমিন রোকন, সাদ বিন রাবি, শফিউল আলম গ্যালমান, জাকির হোসেন, নাসিম শিকদার, কবি রফিক হাসান প্রমুখ। 

রুহুল আমীন গাজী বলেন, ‘এ সরকার সাংবাদিকদের কলম স্তব্ধ করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়। সরকারের সেই স্বপ্ন পূরণ হবে না। সরকার কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যেভাবে প্রতারণা করেছে সেভাবে স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গেও প্রতারণা করেছে। সাংবাদিক সমাজ দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে যে লড়াই করছে তা অব্যাহত থাকবে।’ 

এম. আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের মন্ত্রীরা হাসপাতালে সন্ত্রাসীদের দেখতে যাওয়ার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, তাদের হুকুমেই হামলা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের আস্কারা দেয়ার পরিণাম শুভ হবে না। এক সপ্তাহে রাজপথে ৪০ জন সাংবাদিকের রক্ত ঝরিয়ে বিশ্বব্যাপী যে ধিক্কার কুড়িয়েছে, তাতে সরকারের লজ্জিত হওয়া উচিত।’ 

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি দলের ক্যাডারদের বর্বরতায় আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন, অথচ এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। সাংবাদিকরা এক দফার সংগ্রাম শুরু করলে কেউ রেহাই পাবে না।’

মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করে তথ্যমন্ত্রী চিঠি চালাচালির নাটক করেছেন। নাটক বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনুন।’

ব্রেকিংনিউজ/ এএইচএস/ এসএ 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2