শিরোনাম:

শরীরের কোন অংশে তিল থাকলে কি হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
৭ অক্টোবর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 8:57 আপডেট: 9:03
শরীরের কোন অংশে তিল থাকলে কি হয়?

মানুষের কর্মই তার ভবিষ্যত নির্ধারণ করে দেয়। একজন্যই গুণীজনেরা বলেন- ‘জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভালো’। তবে কর্মের সঙ্গে ভাগ্যেরও কিছুটা সহায়তা লাগে। অনেকেই আবার এই ভাগ্যে বিশ্বাসী নয়। অনেকেই বিশ্বাস করেন ‘তিলতত্ত্বে’। হ্যাঁ, শরীরের কোন অংশে তিল থাকলে কি হয়, কিংবা কি কি সৌভাগ্য প্রাপ্তি হয় এ নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসের অন্ত নেই। 

আসুন পাঠক আজ ‘তিলতত্ত্ব’ নিয়ে প্রচলিত বিশ্বাসগুলো জেনে নিই:

১. বলা হয়ে থাকে, ঠোঁটের ওপরে তিল থাকলে ওই ব্যক্তি নাকি খুব অল্প বয়স থেকেই প্রভূত সম্পত্তির অধিকারী হন। যদিও এরা একটু জেদি স্বভাবের হন।

২. তিন যদি নাকের ডান দিকে থাকে তাহলে সেই মানুষের ধনী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল। তারা জীবনের শুরু থেকেই সাফল্য পান। 

৩. কোমরে তিল থাকলেও ধনী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এইসব মানুষদের সম্পত্তি সমৃদ্ধি অনেক বেশি থাকে। বুঝতে হবে ওই পুরুষদের স্ত্রী বা ওই স্ত্রীদের স্বামী খুবই রূপবতী বা রূপবান হবেন।

৪. সমুদ্রশাস্ত্র মতে, শরীরের কোনও অংশে গাঢ় রঙের ও ছোট্ট আকারের তিল বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি বিয়ের পর ধনী হতে চলেছেন। 

৫. ডান হাতের চেটোতে তিল থাকলে ওই ব্যক্তি বেশ ধনী হয়। 

৬. হাতের ম্যারেজ লাইনে কালো বা লাল দুরকম তিলই থাকতে পারে। লাল তিল বোঝায় গভীর দাম্পত্য সম্পর্ক। আর কালো তিল ঠিক উল্টোটা।

৭. যাদের পায়ের তলায় তিল থাকে তারা বিয়ের পর দেশ-বিদেশে প্রচুর ঘুরাঘুরি করতে পারেন। 

৮. অনেকেরই বুকের ডানদিকে তিল থাকে। এই মানুষগুলো বিয়ের আগে অনেক ঝড়ঝাপটা সামাল দিলেও বিয়ের পর সুখলাভ করেন।

৯. তিল যদি থাকে ভ্রুর নিচে তবে যে কারও সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ হবে না। পরিবারে ঝগড়াঝাঁটি-অশান্তি লেগেই থাকবে।

১০. ঠোঁটের নিচে তিল থাকলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি রোম্যান্স ভালোবাসেন। তার জীবনে বহু সঙ্গী জুটবে। অনেকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক হবে। এই কারণে পারিবারিক অশান্তিও তৈরি হতে পারে।

১১. যাদের চোখের কোণায় তিল থাকে তারা কথায় কথায় ঝগড়া করেন। ছোটখাট ইস্যুতেও স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি তৈরি করেন। যদি কোনও নারীর চোখের কোণে তিল থাকে তবে সেই নারী চোখের ঈশারায় যেকোনও পুরুষকে বশে আনতে পারেন। 

১২. আর যাদের কানের পেছনে তিল থাকে বুঝতে হবে তারা খুবই পারিবারিক ও সামাজিক প্রকৃতির মানুষ হয়। তাদের সঙ্গে সবার সুসম্পর্ক বজায় থাকে। 

তবে এই ‘তিলতত্ত্ব’ যে সব সময় সঠিক হয় তা কিন্তু নয়। অতএব কর্মকেই ভবিষ্যত নির্ধারণের অবলম্বন করা শ্রেয়। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2