শিরোনাম:

লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি কমাবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য ডেস্ক
৯ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 8:11
লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি কমাবেন যেভাবে

লিভার বা যকৃত আমাদের শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। শরীর থেকে সব ধরণের বর্জ্যপদার্থ বের করে শরীরকে সুস্থ রাখাই  লিভারের কাজ। লিভারের রোগের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবঞ হল লিভার সিরোসিস। লিভার সিরোসিস এমন এক রোগ যা লিভারকে পুরোপুরি অকেজো করে ফেলে। এর ফলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়, বাড়ে মৃত্যুঝুঁকি। তবে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করে লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। 

১. লিভার সুরক্ষায় খাদ্যাভাসে সচেতন হোন। যে খাবারগুলো সহজে হজম হবে এবং হজমশক্তি বাড়াতে কার্যকর সে ধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। সেই সঙ্গে সালফার সমৃদ্ধ খাবার খান ও ফ্যাট যুক্ত তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ব্রকলি, সবুজ শাক, বাঁধাকপি এবং ফুলকপি লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এ ছাড়া কাঁচা পেঁয়াজ এবং রসুন লিভারের জন্য ক্ষতিকর টক্সিনকে দেহ থেকে দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

২. অনেক সময় আমরা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে পছন্দ করি । লিভার সুরক্ষায় টিনজাত , প্রসেসড ফুড, প্রিজারভেটিভ যুক্ত খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এইসব খাবার লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 

৩. অ্যালকোহল লিভারকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ করে । নিয়মিত অ্যালকোহল পানে হেপাটাইটিস এবং লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে।  লিভার সুস্থ রাখতে অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন।

৪.  দিনে অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন। পানি শরীর থেকে টক্সিন বের করে লিভারকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। যারা কম পানি পান করেন তাদের লিভারের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

৫.  কখনেোই চিকিৎকের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষুধ খাবেন না। অহেতুব ঔষধ খেলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে ব্যথানাশক (পেইন কিলার) ওষুধে ব্যবহৃত এনজাইম লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে লিভার ক্ষতিগ্রস্থ করে দেয়। 

৬. শরীর সুস্থ রাখতে যেমন শারীরিক পরিশ্রম করা দরকার তেমন লিভার সুস্থ রাখতেও শারীরিক পরিশ্রমের বিকল্প নেই। শারীরিক পরিশ্রম শরীরের মতোই লিভারে মেদ জমতে দেয় না। ফলে লিভার সংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্তের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দিনে মাত্র ২০ মিনিটের শরীরচর্চা লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৭. লিভার সিরোসিসের অন্যতম প্রধান কারণ বি ভাইরাস, সি ভাইরাস কিংবা ই ভাইরাস। তাই এসব ভাইরাসে আক্রান্তরা চিকিৎসকের পরামর্শে থাকুন। 

ব্রেকিংনিউজ/জেআই   

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2