ডোমারে ব্লাস্ট রোগে দুই একর জমির বোরো ধান নষ্ট

আব্দুল গফুর, নীলফামারী প্রতিনিধি
১৯ মে ২০১৯, রবিবার
প্রকাশিত: ০৩:৫০

ডোমারে ব্লাস্ট রোগে দুই একর জমির বোরো ধান নষ্ট

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) নীলফামারীর ডোমারের সি-ব্লকের প্রায় দুই একর জমির বোরো ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এমনটি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কৃষকরা। নষ্ট হয়ে যাওয়া ধান ক্ষেত ভিক্তিবীজ হিসেবে এখানে চাষ করা হয়েছিল।
 
সূত্র মতে, চলতি বোরো মৌসুমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ডোমারের আলু ভিত্তিবীজ উৎপাদন খামারে ৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান (ভিক্তিবীজ) চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। আর উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয় ১২০ মেট্রিক টন ধান। এর মধ্যে ৬০ একর জমিতে ২৮ এবং ২০ একর জমিতে ২৯ জাতের  ধানের চাষ করা হয়। ৬০ একর জমিতে ধানের ভালো ফলন হলেও সিব্লকের দুই একরের বেশি ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডোমার কৃষি ফার্মের সি ব্লকে শ্রমিকরা ধান কর্তন ও মাড়াইয়ের কাজ করছে। কম্পাইন হারভেক্টর মেশিনে ধান কর্তন ও মাড়াইয়ে কর্মরত শ্রমিকরা ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত বীজধান ক্ষেত  হতে সংগ্রহ করেছে। 

ধানবীজ সংগ্রহের বিষয়ে কম্পাইন হারভেক্টর মেশিনের ড্রাইভার মোমিনুর রহমানকে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন, রোগের কারণে সংগৃহিত এই ধান, বীজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। এইসব ধান পুরোটাই সীট হিসেবে কেজি দরে বিক্রয় করা হবে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক জানান, কিছু কর্মকর্তার দায়িত্ব অবহেলার কারণে ধান নষ্ট হয়েছে।

এদিকে সি-ব্লকের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রতন রায় ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আবহাওয়ার কারণে ধানে ব্লাস্ট রোগ আক্রমন করেছে। তবে বীজ হিসেবে এই ধানগুলো বাদ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

কৃষি ফার্মের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আতাউর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো না থাকায় সি ব্লকে ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়। প্রতিনিয়ত বৃষ্টির কারণে ছত্রাকনাশক ঔষধ স্প্রে করা যায়নি বিধায় সি ব্লকে প্রায় ২ একর জমির ধানে চিটা হয়েছে। সাধারণ কৃষক অপেক্ষা আপনারা বীজধানে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এমন প্রশ্নেরে জবাবে তিনি বলেন, সাধারণ কৃষক প্রতি একরে যে পরিমাণ ব্যয় করেন আমরা সেই তুলনায় কম বরাদ্দ পাই। 

ব্রেকিংনিউজ/এসএসআর