মানসিক রোগে ভুগছেন গোবিন্দ, ‘এভাটার’ নিয়ে চ্যালেঞ্জ!

বিনোদন ডেস্ক
৫ আগস্ট ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ১২:১৭ আপডেট: ০৪:৩৭

মানসিক রোগে ভুগছেন গোবিন্দ, ‘এভাটার’ নিয়ে চ্যালেঞ্জ!

হলিউড পরিচালক জেমস ক্যামরনের ছবি ‘এভাটার’-এ কাজ করার কথা ছিল গোবিন্দর। পরিচালক অভিনেতাকে ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু গোবিন্দা তাতে রাজি হননি। অভিনেতা বলেন, সারা শরীরে রং লাগিয়ে এবং ৪১০ দিন ধরে শ্যুটিং করা অসম্ভব ছিল। তাই তিনি ছবি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। 

গোবিন্দর এই স্বীকারক্তির পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ট্রোল হতে শুরু হন। প্রশ্ন করা হয় তিনি কীভাবে জেমস কেমেরনের ছবির প্রস্তাব পেলেন? এমন ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়েও তিনি ছবি ছেড়ে দিলেন? 

যদিও অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় তত বেশি সক্রিয় না থাকলেও বিভিন্ন মিমের জবাব দিতে ছাড়েননি তিনি। 

গোবিন্দা বলেন, ‘আমার মেয়ে টিনা আমাকে সবকিছু জানিয়েছে। প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব মতামত রয়েছে, ঠিক আছে তারা যদি বিশ্বাস না করেন যে আমার কাছে হলিউড ছবির প্রস্তাব এসেছিল সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। আমি তাদের মতামতকে সম্মান করি। তারা নিশ্চয়ই ভাবতে পারেনি কীভাবে গোবিন্দা জেমস কেমেরনের ছবির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন? আমি বুঝতে পারছি তাদের মনোভাব। কিন্তু আপনি কখনই কাউকে বলতে পারেন না, ‘আপনার যোগ্যাতাই নেই।’ এই কথাটা একেবারেই মানা যায় না।’

গোবিন্দ আরও বলেন, আমিও সেই সময় একজন সুপারস্টার ছিলাম। ছবির পাশাপাশি আমাকে ভালো পারিশ্রমিকও দেওয়ার কথা হয়েছিল। একজন সর্দারজি, যিনি আমার গুরুজন ছিলেন এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা দেব আনন্দের ভালো বন্ধু। তিনি লন্ডনে হলিউড পরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ‘এভাটার’ নিয়ে কথা হয়। আমিও সেই সময় উপস্থিত ছিলাম এবং আমাকে ছবির বর্ণনা করা হয়েছিল। হঠাৎই আমার মুখ থেকে অবতার কথাটা বেরিয়ে যায়। এরপর তারা ছবির নাম ‘এভাটার’ রাখেন।

তিনি আরও বলেন, যাই হোক, ছবিটি আমি করলাম না। সর্দারজি আমার সিদ্ধান্তে রেগে যান এবং দেব আনন্দের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি আমাকে ফোন করে ডাকেন এবং পুরো বিষয়টা আমার কাছে জানতে চান।’ যদিও এরপরেও নেটিজেনরা থেমে থাকেনি। একের পর এক মিম সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে থাকেন।

এদিকে, অনেকেই অভিযোগ জানিয়েছেন তার ব্যবহারের। কারও সঙ্গে ঠিক করে কথা বলছেন না গোবিন্দা। বন্ধুদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ফলে অনেকে তার সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

ব্রেকিংনিউজ/অমৃ