bnbd-ads
bnbd-ads

শোভনের গার্লফ্রেন্ডের বন্ধু ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ১২:২০ আপডেট: ০২:৫৯

শোভনের গার্লফ্রেন্ডের বন্ধু ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি!

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের গার্লফ্রেন্ডের বন্ধু সহেল রানাকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ আছে, নিষ্ক্রীয় হয়েও ছাত্রলীগ সভাপতির একান্ত বান্ধুবী তাসনিমা শারমিন বিথির সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিশোর্ধ্ব শিক্ষার্থী সোহেল রানাকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, কোনো ধরণের সক্রিয়তা না থাকা সত্বেও সোহেল রানার এই পদ সত্যি লজ্জাকর।

এই নেতা বলেন, সহেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন বলে মিথ্যাচার করেছেন। অথচও ছাত্রলীগের কোনো পদে তার নাম নাই। এই পদকে ব্যবহার করে এবং ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের স্ত্রীর (বিথি) সাথে তার গভীর বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক ছিল। আর সেখান থেকেই তার এ প্রাপ্তি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর অনেক কাছের সহেল। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের  বিভিন্ন টেন্ডারের অংশী হতে এবং মন্ত্রীকে হাতে রাখতেই এই পদ দেওয়া হয় সহেল রানাকে। অথচও পদ পাওয়ার তার কোনো যোগ্যতাই নাই।

এদিকে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে সহেল রানা অকপটে বলেন,আমার সঙ্গে বান্ধুবী হিসেবে শোভন ভাইর গার্লফ্রেন্ড বিথির সঙ্গে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক ছিল। সে জগন্নাথে চান্স পেয়েছে কিন্তু পরে প্রাইভেটে পড়াশোনা করে। এটা অনেক আগের ঘটনা। সম্পর্কতো থাকতেই পারে। শোভনের ছোট ভাই ছোটনের সাথেও আমার সম্পর্ক ছিল। সে আমার ফ্রেন্ড ছিল।

নৌ পরিবহন মন্ত্রীর সাথে ভালো সম্পর্ক আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন কাজের জন্য এবং দল করার কারণে যেতে হয়। সেই সুবাদে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে আমার ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত অনেকের সাথে অনেক সম্পর্ক গড়ে উঠে। কেউ এটাকে ভিন্ন খাতে নিতে চাইলে এটা দুঃখজনক। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনার কোনো পদ ছিল?

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, গতকমিটিতে ছিলাম না। তবে এর আগে আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য  ছিলাম। এটা মৌখিক কমিটি ছিল।

অভিযোগ উঠে পদ পাওয়ার পর তাকে জগন্নাথ হলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করে অনেকে ফেসবুকে অভিনন্দন জানায় কিন্তু বাস্তবে তার কোনো পদ ছিলনা। দাখিল রেজিস্টার কার্ডের বয়স দেখিয়ে এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট করেন, তার   জম্ম ১৭.৯ ১৯৮৮ সালে। এখন  বয়স ৩০ বছর ৮ মাস। গঠনতন্ত্রের নিয়মের বাহিরে তাকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। কার পৃষ্ঠপোষকতায় সেটা ছবিই বলে দিচ্ছে।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

bnbd-ads
MA-in-English
bnbd-ads