জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ২০ জুলাই, আলোচনায় যারা

আরমান হাসান

১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৪:২১ আপডেট: ০৫:৪৯

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ২০ জুলাই, আলোচনায় যারা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার প্রায় ৫ মাস পর আগামী ২০ জুলাই নতুন করে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। 

গত শনিবার (৬ জুলাই) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজাওনুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সম্মেলন আয়োজনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তুত কমিটি তাদের কার্যক্রমও শুরু করেছে।

এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা প্রায় প্রতিদিনই ক্যাম্পাসে উপস্থিত হচ্ছেন। অনুসারীদের নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিচ্ছেন। পদপ্রত্যাশীরা বিভিন্নভাবে লবিং তদবির শুরু করেছেন। পদপ্রত্যাশীরা মধুর ক্যান্টিন, ডাকসু ভবন ও আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসেও ধরণা দিচ্ছেন। অনেকেই আবার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

জবি ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন- সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সাবেক সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফরায়েজি, সৈয়দ শাকিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসনে মুবারক রিশাদ, নাজমুল আলম, তারেক আজীজ, সহ-সভাপতি আল আমিন শেখ, উপ-মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক (শরীফ-সিরাজ কমিটি) নাহিদ পারভেজ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আদম সাইফুল্লাহ, আনিসুর রহমান, শেখ মেহেদি হাসান, মাহমুদ হাসান পারভেজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার, আসাদুল্লা আসাদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, আক্তার হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম, তানজিনা শিমু ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ। 

এছাড়াও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন- সাবেক দফতর সম্পাদক শাহবাজ হোসেন বর্ষণ, সহ-সম্পাদক মোল্লা আনোয়ার হোসেন (সজীব), উপ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক সৈকতুর রহমান, সহ-সম্পাদক নূর-ই-আলম, মেহেদী বাবু, খন্দকার অমিত হাসান।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি আবারও ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনভর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে সাংবাদিকসহ ৪০ জন আহত হন। ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

ব্রেকিংনিউজ/এএইচ/এমআর