রাত পোহা‌লেই জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন

জবি করেসপন্ডেন্ট
২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার
প্রকাশিত: ০১:৫১

রাত পোহা‌লেই জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন

“চাইলে শিক্ষার উন্নয়ন, শেখ হাসিনার প্রয়োজন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়(জবি) শাথা ছাত্রলীগের  বার্ষিক সম্মেলন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান চত্বরে এই  সম্মেলনটি সকাল ১১ টায় উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজুওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী। এই  সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেবেন সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফল ইসলাম টিটন; এবং সঞ্চালনা করবেন প্রস্তুত কমিটির যুগ্ন আহব্বায়ক জামাল উদ্দিন।

এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সম্মেলন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাযনির্বাহী সদস্য এ্যাড. কাজী নজীবুল্লাহ হিরু, নারায়নগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু সহ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা।

সম্মেলন প্রস্তুতির বিষয়ে প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বলেন, আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সবাইমিলে চেষ্টা করছি সম্মেলনকে সফল করতে। নিরাপত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এজন্য সবাই আমরা মিটিং করেছি। আশা করছি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।

প্রস্তুত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিদ পারভেজ বলেন, আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলনকে সফল করার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।

এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার জন্য সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন পুলিশ বাহিনী। এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার সাইফূল আলম মুজাহিদ বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলনকে ঘিরে আমরা অতিরিক্ত ফোর্স সংযুক্ত করেছি। ক্যাম্পাসে যাতে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না ঘটে সেদিকে আমাদের কড়া নজর আছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ সম্মেলনের পর ১৭ অক্টোবর জবি শাখা ছাত্রলীগের ৩৯ সদস্যের কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এতে তরিকুল ইসলামকে সভাপতি ও শেখ জয়নাল আবেদীন রাসেলকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটির মেয়াদ ছিল এক বছর। কিন্তু শীর্ষ দুই নেতার পক্ষের লোকজনের মধ্যে কয়েক দফা মারামারি ও সংঘর্ষের পর কমিটি ঘোষণার চার মাসের মাথায় ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ৬ মাস পরে সম্মেলন হচ্ছে।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি