সংবাদ শিরোনামঃ

মেধাবীদের গন্তব্য সারা বিশ্বে হওয়া উচিত: জবি উপাচার্য

মো. জাহিদুল ইসলাম, কুবি করেসপন্ডেন্ট
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ০৮:০১ আপডেট: ০৮:০২

মেধাবীদের গন্তব্য সারা বিশ্বে হওয়া উচিত: জবি উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, মেধাবীদের গন্তব্য শাহবাগ পর্যন্ত না হয়ে সারা বিশ্বে হওয়া উচিত। বর্তমানে বাংলাদেশে তিন থেকে সাড়ে তিন লক্ষ বিদেশি লোক চাকরি করেন। যে মেধার জায়গা বাংলাদেশিরা তৈরি করতে পারেনি। প্রতি বছর প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছে বিদেশিরা। আমাদেরকেও যোগ্য লোক তৈরি করতে হবে।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের আয়োজনে চারদিন ব্যাপী মার্কেটিং কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ কার্নিভালের উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত এ কার্নিভালের ১ম দিনের বিকালে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজনের শুরুতে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসসহ ক্যাম্পাসের আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে কেক কেটে কার্নিভালের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এরপর সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজীজ এবং ইসরাত ইমার সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

এছাড়াও মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, বিশেষ অতিথি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও মার্কেটিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, এফবিসিসিআই এর পরিচালক হেলেনা জাহাঙ্গীর এবং থাইল্যান্ডের প্রিন্স অব শঙ্কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বার ড. তারেক বিন হোসাইন। এছাড়া কার্নিভালের সমন্বয়ক মাহিদুল ইসলাম সিহাদ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে সারাদেশে ব্রান্ডিং করতে হবে। কুমিল্লার এই অঞ্চলে ১৪০০ বছর আগেও জ্ঞান চর্চা হয়েছে। এখনও হচ্ছে।

পরে বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও ৪ দিন ব্যাপী এ কার্নিভালে থাকছে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, কেইস স্টাডি প্রতিযোগিতা, বসন্ত উৎসব, কনসার্ট, ফটো সেশন, উপচার্যের সাথে স্বাগত মিটিং, মার্কেটিং সামিট ও কর্পোরেট ডিনারসহ বিভিন্ন আয়োজন।

ব্রেকিংনিউজ/এনএসএন