সংবাদ শিরোনামঃ
bnbd-ads
bnbd-ads

বিদ্যালয় ভবন নদীগর্ভে: স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাঠে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর
১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৬:৩১

বিদ্যালয় ভবন নদীগর্ভে: স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাঠে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নের গোঘাট গ্রামের কলমু এফএনসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ২০১৭ সালে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার পর থেকেই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে কামারজানী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের খোলা মাঠে। 

এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কারণ আকাশে মেঘ জমলে বই-খাতা নিয়ে দৌড়ে নিরাপদে চলে যেতে হয় শিক্ষক ও  শিক্ষার্থীদের। আর বৃষ্টি হলে বন্ধ রাখতে হয় বিদ্যালয়। ফলে প্রতিনিয়তই কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

তবে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জানিয়েছেন আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন টিনসেড ঘরে ক্লাশ করানো হবে শিক্ষার্থীদের।

জানা গেছে, ১৯৪৫ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও সরকারি করা হয় ১৯৭৩ সালে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ছুটিতে থাকায় ১৫৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে আছেন মাত্র দুজন শিক্ষক।

শিক্ষার্থী সাথী খাতুন ও রাসেল মিয়া, মুক্তা খাতুন জানান, বিদালয়টি নদীতে বিলীন হওয়ার পর থেকে তাকের গাদাগাদি করে চটে বসে পড়ালেখা করতে হচ্ছে। এক সাথে অনেক জনের আওয়াজে তাদের পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটেছে।   তাছাড়া মাটিতে বসে লিখতে খুবই কষ্ট হয় ও রোদের কারণে গরম লাগে।

অভিভাবক জলিল মিয়া ও নুর ইসলাম মিয়া বলেন, ‘খোলা আকাশের নিচে বসতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। ফলে তারা এখন বিদ্যালয়ে যেতে চায় না।’

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি সফিউল ইসলাম বলেন, ‘যে টাকা ও টিন বরাদ্দ পাওয়া গেছে সেটা দিয়ে জমিতে বালু ভরাট করে একটি টিনশেড ঘর তোলা হচ্ছে। দরজা-জানালা তৈরি করতে দেয়া হয়েছে। আশা করছি মেঝে পাকা করে দুই সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যালয়ের নতুন টিনশেড ঘরে ক্লাস করানো সম্ভব হবে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তফা কামাল বলেন, ‘খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করাতে বিভিন্ন সমস্যা হয়। তাছাড়া প্রতিদিনই কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি।’

গাইবান্ধা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।’

ব্রেকিংনিউজ/এসআর/জেআই

bnbd-ads
bnbd-ads