কারো হাটে ভয়, কারো কোরবানি দিতে কষ্ট হয়!

বিনোদন ডেস্ক
১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার
প্রকাশিত: ০৩:৩০ আপডেট: ০৩:৩৫

কারো হাটে ভয়, কারো কোরবানি দিতে কষ্ট হয়!

আর মাত্র তিন দিন পরেই ঈদ-উল-আযহা। ঈদের নামাজ পড়েই সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন পশু কোরবানি দেওয়া নিয়ে। আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো তারকারাও এ দিনে ব্যস্ত থাকবেন পশু কোরবানি দিতে। আবার এই কোরবানির ঈদ নিয়েও আছে অনেক স্মৃতি, যা তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়

নুসরাত ফারিয়া

গরু দেখতে মানুষ কোরবানির হাটে যায়। কিন্তু আমার কখনোই যেতে ইচ্ছা করেনি। গরু কোরবানি দেওয়ার সময় আমার খুব কষ্ট হয়, কান্না পায়। ক্যান্টনমেন্টে আমাদের বাসার নিচেই গরু কোরবানি দেওয়া হয় প্রতিবছর। বুঝতে শেখার পর থেকেই আমার ঈদের দিন শুরু হতো কান্না দিয়ে। গরু জবাই দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই কাঁদতে থাকতাম। এই যে এত বড় হয়েছি, এখনো কান্না পায়।


আশনা হাবীব ভাবনা

আমরা ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় ঈদ করি। এবারও ঢাকায় করব। কোরবানির গরুর জন্য অনেক মায়া লাগে। সাত-আট বছর আগে একবার শখ করে গরুর হাটে গিয়েছিলাম। হাটের ভিড়বাট্টা আর বড় বড় শিংওয়ালা গরুর গুঁতা দেওয়া দেখে খুব ভয় পেয়েছিলাম। সেই ভয় এখনো কাটেনি। আর সাহস হয়নি গরুর হাটে যাওয়ার।

তাসকিন রহমান

কোরবানি নিয়ে ছোটবেলার একটা মজার স্মৃতি খুব মনে পড়ে। তখন বুঝতাম না, কেন পশু জবাই করা হয়। কোরবানির পশুর সঙ্গে সহজেই সখ্য হয়ে যেত। তাই কষ্টটা আরো বেশি লাগত। তখন আমার বয়স ছয়-সাত বছর। সেবার তো রীতিমতো কোরবানিতে বাধাই দিলাম। দেখা গেল, ঈদের দিন জোর কান্না শুরু করেছি। গরুটা জবাই করতে দেবই না। জেদ ধরে বললাম, দরকার হলে আমাকে কোরবানি করো, তবু ওকে নয়।

ব্রেকিংনিউজ/অমৃ

bnbd-ads