সংবাদ শিরোনামঃ
bnbd-ads
bnbd-ads

জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দুই ভাষা সৈনিক

জেলা প্রতিনিধি
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৫:১৯ আপডেট: ০৫:২০

জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দুই ভাষা সৈনিক

মেহেরপুর জেলার ভাষা সংগ্রামী নজির হোসেন বিশ্বাস (৮৩) ও ইসমাইল হোসেন (৮০) বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। 

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকরুদ্ধ প্রায়। দু‘জনেই বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত। জেলার সাত ভাষা সংগ্রামীর মধ্যে বেঁচে আছেন এ দু’জন। জীবনের শেষ সময়ে এসেও একুশে ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসন থেকে দেয়া সংবর্ধনা ছাড়া পাননি ভাষা সৈনিকের প্রকৃত সম্মান। তারপরও তারা বাংলাদেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন দেখে যেতে চান।

নজির হোসেন বিশ্বাস সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে পরিবারের সাথে বসবাস করছেন। আজ তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকরুদ্ধ প্রায়। তিনি ভাষা আন্দোলনের অগ্রগামী সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার কারণে তার পিতাকে পাক বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে মেহেরপুর সরকারি কলেজের পিছন থেকে তার পিতার লাশ উদ্ধার করা হয়। এত কিছুর পরে ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পেয়েও তাদের একটাই শান্তনা বাংলা ভাষা আজ অর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

ইসমাইল হোসেন বর্তমানে মেহেরপুর শহরের টিএন্ডটি পাড়ায় বসবাস করছেন। বঙ্গবন্ধুর আহবানে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। কয়েকটি জাতীয় দিবস ছাড়া আর কখনও কেউ তাদের খোঁজ নেয় না। প্রকৃত মর্যাদা না পাওয়ায় তিান মনকষ্টে ভোগেন সব সময়। এরপরও মৃত্যুর আগে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রাপ্তির আশা।

মেহেরপুরের প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক তোজাম্মেল আযম জানন, ভাষা সংগ্রামের পথ ধরেই আমরা বাঙালিরা বিশ্বে একটি ইতিহাস তৈরি করেছি। কিন্তু ইতিহাস সৃষ্টিকারীদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বার্ধক্যে যাওয়া নানা রকম সমস্যাপীড়িত দুই ভাষা সংগ্রামীকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হয়নি। মূল্যায়ন করা হয়নি ইতোমধ্যে মারা যাওয়া মেহেরপুরের ৫ ভাষা সংগ্রামীকে।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

bnbd-ads
bnbd-ads