সংবাদ শিরোনামঃ
bnbd-ads
bnbd-ads

ধর্ষণে অভিযুক্ত সেই ২ পুলিশ কর্মকর্তা ৬ দিন রিমান্ডে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৩:২০ আপডেট: ০৪:৪৯

ধর্ষণে অভিযুক্ত সেই ২ পুলিশ কর্মকর্তা ৬ দিন রিমান্ডে

ডাকবাংলোতে তরুণীকে আটকে রেখে দুই দিন ধরে ধর্ষণের ঘটনায় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলামের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ বিচারিক হাকিম আদালত-৭-এর বিচারক এ আদেশ দেন। 

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে দুপুরে মানিকগঞ্জ বিচারিক হাকিম আদালত-৭-এ হাজির করা হয়। পুলিশ তাঁদের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি নিয়ে বিচারক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার তাঁদের ছয় দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর রাতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকা থেকে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান ওসি আমিনুল ইসলাম। 

উল্লেখ্য, উপ-পুলিশ পরিদর্শক সেকেন্দার হোসেন আশুলিয়া থানায় কর্মরত থাকার সময় এক নারীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা ধার নিয়ে জমি কেনেন। কথা ছিল জমি বিক্রির লাভ তাকে দেয়া হবে। সেই হিসাবে তিনি সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পাবেন। কিন্তু টাকা না দিয়ে তিনি ঘুরাতে থাকেন। সাটুরিয়া থানায় বদলি হয়ে আসার পরও সেকেন্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।গত বুধবার বিকালে প্রতিবেশী ভাগ্নিকে নিয়ে সাটুরিয়া থানায় আসেন ওই নারী। এরপর সেকেন্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা দেবেন বলে তাদের সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যান।

সন্ধ্যার পর সাটুরিয়া থানার এএসআই মাজহারুল ইসলামকে ডাকবাংলোতে নিয়ে যায় সেকেন্দার হোসেন। সেখানে ডাকবাংলোর একটি কক্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ইয়াবা সেবন করে ও তার সঙ্গে আসা ওই তরুণীকে জোড় করে ইয়াবা সেবন করায়। দুই পুলিশ কর্মকর্তা দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

গত রবিবার পুলিশ সুপারের কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান সিদ্দীকী সোমবার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেন।

তদন্তকারী এক সদস্য মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান জানান, সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় নিয়ে সোমবার তদন্ত করা হয়। তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেন। দিনভর প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ 

bnbd-ads
bnbd-ads