bnbd-ads
bnbd-ads

কৃষকের থেকে সরকারি মূল্যে ধান কিনলেন রাজশাহীর ডিসি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী
২২ মে ২০১৯, বুধবার
প্রকাশিত: ০৫:১৮

কৃষকের থেকে সরকারি মূল্যে ধান কিনলেন রাজশাহীর ডিসি

গ্রামে গিয়ে সরাসরি কৃষকদের থেকে সরকারি মূল্যে ধান কিনলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের। জেলা প্রশাসকের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। 

বুধবার (২২ মে) দুপুরে জেলার পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার মধুসুদনপুর গ্রামে গিয়ে তিনি ধান কেনেন।

পবা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষকেরা সরকারি মূল্যে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। এমন খবরের ভিত্তিতে রাজশাহীর ডিসি যেকোনো উপায়ে ধান কেনাবেচায় কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে ডিসি এসএম আব্দুল কাদের পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ নেওয়াজ, পবা সহকারি কমিশনার ভূমি নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাজমুল হোসেন ভূইয়া, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে নওহাটা পৌরসভার মধুসুদনপুর গ্রামে উপস্থিত হন। 

খবর পেয়ে ওই গ্রামের কৃষকেরা ধান বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। সেখানে ৩ জন কৃষকের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে আড়াই মেট্রিক টন ধান কেনা হয়। এ সময় অফিস কৃষকদের শনাক্ত করেন। ন্যায্যমূল্য পেয়ে কৃষকেরাও উচ্ছ্বসিত হন এবং সরকারের এই উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানান।

মজিবর রহমান নামের এক কৃষক বলেন, ডিসি উপস্থিত থেকে ধান কেনার কথা শুনে তিনি ১৫ মণ ধান বিক্রি করেছেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যে তিনি ধান বিক্রি করেছেন। প্রতিমণ ধানের দাম পেয়েছেন ১ হাজার ৪০ টাকা। তিনি বলেন, ‘আমার মতো সারা দেশের কৃষকরা বাজারে ধানের এমন মূল্য পেলে উপকৃত হতো। সব জায়গায় যদি এভাবে ধান কেনা হয়, তাহলে চাষিরা অনেকটা লাভের মুখ দেখবে।’ তিনি কৃষক পর্যায়ে বেশি বেশি ধান কেনা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের বলেন, ‘কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন সব সময় তৎপর থাকবে। তিনি ও তার কর্মকর্তারা কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার তদারকি করবেন। কোনো ব্যবসায়ী কৃষক সেজে ধান বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে’। 

তিনি বলেন, ‘আজ প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধার ক্রয় করা হচ্ছে। কৃষকদের কৃষিকার্ড ও ব্যাংক একাউন্ট করতে সংশ্লিষ্ট দফতর ও ব্যাংকে তাগিদ দেয়া হবে’। 

তবে প্রান্তিক অনেক কৃষক কৃষিকার্ড ও ব্যাংক একাউন্ট না থাকায় ধান দিতে পারছে না। এতে কৃষকরা ধান বিক্রিসহ অন্যান্য কৃষি সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকিলা নাসরিন, কৃষক আলহাজ্ব মাইনুদ্দিন, আব্দুল আওয়াল, মনিরুল ইসলাম, বাবু আলী প্রমুখ। 

ব্রেকিংনিউজ/এসএসআর

bnbd-ads
MA-in-English
bnbd-ads