চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৫৭৬ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার
প্রকাশিত: ১০:৫৫ আপডেট: ১২:৫০

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৫৭৬ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগাপ্রকল্পের আওতায় নগরের ১৩টি খালের ওপর গড়ে ওঠা ১ হাজার ৫৭৬টি অবৈধ স্থাপনা আগষ্টের মধ্যে উচ্ছেদ চায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এর মাধ্যমে নগরের প্রায় ১২৩ একর জায়গা দখলমুক্ত করা হবে।

সোমবার (২২ জুলাই) নগরের চাকতাই খালে অভিযান শুরু হবে।

ইতোমধ্যে রাজাখালী খাল-২ ও নোয়াখালের বেদখল জমি উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগাপ্রকল্পের আওতায় ডিটেইল ডিজাইন সম্পন্ন ১৩টি খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী বলেন, আগস্টের মধ্যে ১৩টি খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের লক্ষ্য রয়েছে। দখলমুক্ত হলে শুষ্ক মৌসুমে এসব খাল থেকে মাটি উত্তোলন, রিটেইনিং ওয়াল ও রাস্তা নির্মাণসহ সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএ’র সমঝোতা চুক্তির পর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয়পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে।

ডিপিপি অনুযায়ী গৃহীত এ মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬টি খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ/এসএসআর

bnbd-ads