কর্ণফূলি পেপার মিলে ফের উৎপাদন বন্ধ

মিশু দে, রাঙামাটি প্রতিনিধি
৫ আগস্ট ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ১০:৩৪

কর্ণফূলি পেপার মিলে ফের উৎপাদন বন্ধ

মিটারিং পার্টস নষ্ট হয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলি পেপার মিল (কেপিএম)’র উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।  

রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুর থেকে গ্যাস সররাহের কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকায় কেপিএম’কে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, হাইকোটসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কাগজের স্বাভাবিক প্রয়োজন মেটাতে বেগ পেতে হবে বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকাই কেপিএম’র আবাসিক এলাকার বাসিন্দারাও পড়েছেন বিপাকে। 

কেপিএম’র উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় অবসর সময় পার করছেন স্থায়ী অস্থায়ী শ্রমিকরা। প্রতিদিন ১৫-২০ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতি গুনতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। আবাসিক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে রান্না কাজে হিমশিম খেলে হচ্ছে বসবাসকারীদের। তাদের মধ্যে কেউ কেউ গ্যাসের সিলিন্ডার কিনলেও অনেকেরই আপাতত খাওয়া-দাওয়ার কাজ করতে হচ্ছে হোটেলে। বর্তমানে কেপিএম’র সাড়ে আটশত স্থায়ী, অস্থায়ী শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এতে প্রতিদিন ২০ টন কাগজ উৎপাদন হয়।

কেপিএম সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে হঠ্যাৎ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে কাগজ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে চট্রগ্রাম গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর একটি টিম কেপিএম গ্যাস সরবরাহ লাইন পরিদর্শন করে, সরবরাহ লাইনের একটি পার্টস নষ্ট হয়ে গেছে সেটি আমরা এনে লাগিয়ে দিব বলে তারা চলে যায়। তারা এখনো পার্টসটি খুঁজছেন বলে আমরা জানাতে পেরেছি।

কর্ণফূলি পেপার মিল কেপিএম’র এমডি ড. এম এম এ কাদের জানান, রবিবার দুপুরে কেপিএম’র হঠ্যাৎ গ্যাস সরবরাহ লাইনের মিটারের একটি পার্টস নষ্ট হয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা গ্যাস সরবাহ প্রতিষ্ঠান কেডিজিসিএল সাথে যোগাযোগ করেছি, তারা একটি পরিদর্শক টিমও পাঠিয়েছে। কিন্তু পার্টসটি তারা এখনো লাগিয়ে দিয়ে যাননি। আমরা বাইরের কাউকে এনে ঠিক করাবো কিনা তা জানতে চাইলেও সরবরাহ প্রতিষ্ঠানটি তারা ছাড়া কেও ঠিক করতে পারবে না বলাই আমরা তারাই পার্টসটি লাগানো অপেক্ষায় আছি।

তিনি আরও জানান, ‘বছরের প্রথমদিনে প্রধানমন্ত্রী যে বই শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে তুলে দেন সে বইয়ের কাগজ আমরা সরবরাহ করি। সে বইয়ের কাগজ, হাইকোর্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আমরা কাগজ সরবরাহ করে থাকি, উৎপাদন বন্ধ থাকাই সে কাগজ সরবরাহে আমাদের বেশ বেগ পেতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন প্রচুর আর্থিক ক্ষতিও গুণতে হচ্ছে।

ব্রেকিংনিউজ/জেআই