bnbd-ads
bnbd-ads

প্রাথমিকে শিক্ষক হতে নারীদেরও লাগবে স্নাতক ডিগ্রি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৯ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ১০:২৬ আপডেট: ০৫:৫৬

প্রাথমিকে শিক্ষক হতে নারীদেরও লাগবে স্নাতক ডিগ্রি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে এখন পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। এতদিন এইচএসসি বা সমমানের পাসের সার্টিফিকেট নিয়েই প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারতেন নারীরা। এখন এই সুবিধা কমলো নারীদের জন্য। 

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করেছে।

নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

নতুন এ বিধিমালা জারির আগে সব প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে এই শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য ২৫ থেকে ৩৫ বছর এবং সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যেত। এখন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর।

সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থী, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে বলেও নতুন বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (নারী ৬০%, পোষ্য ২০% ও অবশিষ্ট পুরুষ ২০%) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিজ্ঞান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দিয়ে ওই ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে তা পূরণ করা যাবে। 

প্রধান শিক্ষকের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৩৫ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। তবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা যাবে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। 

বর্তমানে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। মোট শিক্ষক রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ। প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা এখন বেতন পান ১৪তম গ্রেডে।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads
MA-in-English
bnbd-ads