মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট; রাতের বাস ছাড়বে সকালে

তৌহিদুজ্জামান তন্ময়
১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার
প্রকাশিত: ০২:৪৭ আপডেট: ০২:৪৮

মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট; রাতের বাস ছাড়বে সকালে

প্রিয় মানুষের সঙ্গে ঈদ করতে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। রাস্তায় তীব্র যানজট জেনেও সবকিছু উপেক্ষা করেই ঘর ছাড়ছেন তারা। তীব্র যানজটের কারণে শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকাল থেকেই বাসের সিডিউল বিপর্যয় ঘটতে দেখা গেছে। সকাল ৯ টার বাস দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও পাননি অনেক যাত্রী। সারাদিনের পর শুক্রবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাতের নির্ধারিত বাসগুলো মিলবে সকালের দিকে। 

শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্যামলী পরিবহন (এনআর) কাউন্টার থেকে যখন এমন ঘোষণা ভেসে আসে তখন যাত্রীদের হাসিখুশি মুখগুলো হঠাৎ মলিন হয়ে যায়। 

যারা এতক্ষণ স্বজনদের সঙ্গে হাসি তামাশায় মগ্ন ছিলেন, তারাও যেন বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন ক্ষণিকের জন্য। 

শুধু শ্যামলী পরিবহন নয় এখানে থাকা সব পরিবহনের একই দশা। সন্ধ্যার গাড়িগুলোও ছেড়ে যায়নি এখনো। বাস কাউন্টারগুলোতে বিকেল থেকেই অপেক্ষায় আছেন ঘরমুখো মানুষ। তাদেরকে আশা দেওয়া হচ্ছে গাড়ি কাছাকাছি এসেছে, এলেই পেয়ে যাবেন।

কল্যানপুর এসবি সুপার ডিলাক্স কাউন্টারের সামনে চেয়ারে বসে আছেন শহীদুল জামান তিনি ব্রেকিংনিউজকে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গাইবান্ধার গাড়ি তিন ঘণ্টা পরও দেখা মেলেনি। কাউন্টার থেকে বলা হয়েছে গাড়ি এখন ঢাকায় প্রবেশ করেনি। সাভারের কাছাকাছি রয়েছে। এলেই পেয়ে যাবেন। কিন্তু এখন তারা বলছেন ভোরের দিকে গাড়ি আসবে। এই মুহূর্তে কি করবো কিছুই তো বুঝতে পারছি না।

গাড়ির জটে অপেক্ষমান যাত্রীদের ভিড়ে পরিপূর্ণ কল্যাণপুর এলাকা। কাউন্টারের ভেতরের জায়গা অনেক আগেই পূর্ণ হয়ে গেছে। সামনে পাতানো চেয়ার পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেকে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে আছেন বাসের অপেক্ষায়।

রাস্তায় যানজটের কারণে শিডিউলের বিপর্যয় ঘটছে বলে জানিয়েছে শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার শাকিল মিয়া। তিনি ব্রেকিংনিউজকে জানান, সকালের দিকে যে গাড়িগুলো ঢাকার পথে রওয়ানা করেছে, সে বাসগুলো এখনো পথেই পড়ে আছে।

গ্রিণ লাইন বাসের সুপারভাইজার ফারুখ আহমেদ ব্রেকিংনিউজকে জানান, সাভার থেকে শুরু করে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা, মির্জাপুর ও যমুনা সেতুর আগে ভয়াবহ জ্যাম। গাড়ি তিন/চার মিনিট আগালে একনাগারে তিন/চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছে।

এদিকে, কল্যাণপুর-গাবতলিতে অবস্থিত বেশিরভাগ কাউন্টার থেকে নৈশকোচের যাত্রীদের ফিরে যেতে বলা হচ্ছে। তাদেরকে সকালে দিকে আসতে বলা হচ্ছে।

ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এমজি

bnbd-ads