bnbd-ads
bnbd-ads

গরমে অস্বস্তি, সূর্যের তেজ বাড়ছেই

পরিবেশ ডেস্ক
১০ মে ২০১৯, শুক্রবার
প্রকাশিত: ০৯:৩৯ আপডেট: ০১:৩৭

গরমে অস্বস্তি, সূর্যের তেজ বাড়ছেই

ঘূর্ণিঝড় ফণীর পর আকাশে জলীয় বাষ্পের অভাবে বৃষ্টিও হচ্ছে না। এমতাবস্থায় দেশজুড়ে গ্রীষ্মের প্রখর তাপদাহে অতিষ্ট জনজীবন। বিশেষত খেটেখাওয়া মানুষের কষ্ট বেড়েছে। সঙ্গে চলছে রোজা। এরইমধ্যে গত কদিন দেশের কোথাও কোথাও ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। 
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই তাপদাহ চলবে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও কম। 

বুধবার (৯ মে) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘এখন সারা দেশেই তাপদাহ চলছে। তবে আগামী দুদিন-তিনদিন পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। ১২ মে’র পর দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এছাড়া ঢাকায় ৩৫ দশমিক ৮, খুলনায় ৩৯ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ৩৫, সিলেটে ৩৩ দশমিক ৮, চট্টগ্রামে ৩৪ ও বরিশাল বিভাগে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

সাধারণত এপ্রিল ও মে মাসের উষ্ণ আবহাওয়ায় কালবৈশাখি, বজ্রঝড়ের অনুকূল পরিবেশ থাকে। বিশেষ করে উত্তর-উত্তর পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে কালবৈশাখির প্রাবল্য দেখা যায়। এই সময়টাতে যেকোনও সময় বিদ্যুৎ চমকানো ও বজ্রপাতের আশঙ্কা বাড়ে। 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল গত পাঁচ দশকের মধ্যে রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠে। ওইদিন ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর