পর্যটন নিয়ে পরিকল্পনায় সরকার, বিদেশে মেলা

পরিবেশ-পর্যটন ডেস্ক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৪:৪১

পর্যটন নিয়ে পরিকল্পনায় সরকার, বিদেশে মেলা

 ভ্রমণের ইচ্ছে নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। হাজারো কর্মব্যস্ততার মাঝে শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য এবং জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে, ছোট-বড়, ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে দেশ ভ্রমণ প্রতিটি মানুষের জন্যই প্রয়োজন। পর্যটন খাতকে ব্যবহার করে দেশের বড় অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বিভিন্ন দেশ। 

তাই এই খাতকে নিয়ে ভাবছে বাংলাদেশ সরকারও। পর্যটন নিয়ে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই খাত বিকাশে নতুন নীতিমালাও আনছে সরকার।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেলা করে বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

পর্যটন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সরকার জেলাভিত্তিক পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনা করছে। এমনকি পর্যটন বিকাশের মেলায়ও ব্যাপক পরিবর্তন আনছে।

আগে শুধু ট্যুর অপারেটররা মেলার আয়োজন করতেন। এখন থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিজম বোর্ডের নিবন্ধিত ট্যুর অপারেটর, ট্যুর গাইড, ট্রাভেল এজেন্ট অথবা স্টেকহোল্ডার, পর্যটন ব্যবসায় নিয়োজিত হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, এয়ারলাইন্স, ট্রান্সপোর্টসহ অন্যান্যরা বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কো-অ্যাক্সিবিউটর হিসেবে বিদেশে অনুষ্ঠেয় মেলায় অংশগ্রহণের নীতিমালা আসছে।

পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, যে দেশের পর্যটন মেলায় অংশ নিলে বাংলাদেশ লাভবান হবে, সেই দেশে এসব সংস্থা অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশের পর্যটন বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এমন দেশের মেলায় অংশ নিতে পারবে না সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো। এই ধারায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে কয়েকটি দেশের ১২টি স্থানে পর্যটন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এসব মেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সৌন্দর্য ও সভ্যতাকে তুলে ধরা হবে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট সেমিনার, রোড শো ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হবে।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ