সংবাদ শিরোনামঃ
bnbd-ads
bnbd-ads

গুণের রাজা কাঁঠাল

স্বাস্থ্য ডেস্ক
১৫ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ০৯:২৪ আপডেট: ০১:২৯

গুণের রাজা কাঁঠাল

কাঁঠাল, বাংলাদেশের জাতীয় ফল। নানা গুণের কারণে সারাদেশের মানুষের কাছে সমাদৃত এই ফল। প্রোটিন, ভিটামিন ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ এই ফল গরমে শরীর সুস্থ রাখার পক্ষে একেবারে আদর্শ।কাঁঠাল অপুষ্টি জনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপযোগী ফল। শিশু, কিশোর, কিশোরী এবং পূর্ণ বয়সী নারী- পুরুষ সব শ্রেণির জন্যই কাঁঠাল খুবই উপকারী ফল। গর্ভবতী এবং যে মা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য কাঁঠাল দরকারি ফল। 

চলুন জেনে নিই কাঁঠালের নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতার কথা:

১. কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ যা চোখকে বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

২. কাঁঠালে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টি এবং হাই ওয়াটার কনটেন্ট ত্বককে সতেজ রাখে। 

৩.কাঁঠাল খেলে শরীরে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে এবং ক্যালিসিয়াম ক্ষরণ কম হয়। এছাড়াও এতে উপস্থিত পটাশিয়াম হাড় মজবুত করে।

৪. কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল বেশি খেলেও তাই ওজন বাড়ে না।

৫.  কাঁঠালে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৬. কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।

৭. কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

৮. টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।

৯. বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।

১০. কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানি উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানির প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।

১১. চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।

১২. কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

১৩. কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১৪. কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি-৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

১৫. ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।

১৬. প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী নারী ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।

১৭. প্রচুর আঁশ থাকার কারণে কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

১৮. কাঁঠালে থাকা আয়রন যা শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে