ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

স্বাস্থ্য ডেস্ক
৫ আগস্ট ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ১১:৪৮ আপডেট: ০৫:৪৭

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

ডেঙ্গু ভাইরাস হলো ফ্ল্যাভিভাইরিডি পরিবার ও ফ্ল্যাভিভাইরাস অন্তর্ভুক্ত মশা বাহিত এক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। এটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। এই ভাইরাসের পাঁচটি সেরোটাইপ পাওয়া গিয়েছে। যাদের প্রত্যেকেই পূর্ণরূপে রোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম। এডিস ইজিপ্টি মশা এই ভাইরাসের বাহক। একই মশা ইয়েলো ফিভার ভাইরাস, জিকা ভাইরাস, চিকুনগুনিয়া ভাইরাসেরও বাহক। এই ডেঙ্গু রোগে বিচলিত বা আতঙ্কিত না হয়ে নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাড়িতে চিকিৎসা চলাকালীন সতর্কতা

নীচের যেকোন একটি লক্ষণ দেখা দিলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে–
* জ্বর কমার প্রথম দিন রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি
* বার বার বমি/মুখে তরল খাবার খেতে না পারা
* পেটে তীব্র ব্যথা
* শরীর মুখ বেশি দুর্বল অথবা নিস্তেজ হয়ে পড়া/হঠাৎ করে অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া
* শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে যাওয়া/শরীর অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে যাওয়া

বাড়িতে চিকিৎসা

* পর্যাপ্ত বিশ্রাম (জ্বর চলাকালীন এবং জ্বরের পর এক সপ্তাহ)
* স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খাওয়া, যেমন খাবার স্যালাইন
* গ্লুকোজ, ভাতের মাড়, বার্লি, ডাবের পানি, দুধ/হরলিকস, বাসায় তৈরি ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি

 জ্বর থাকাকালীন চিকিৎসাঃ প্যারাসিটামল ট্যাবলেট

* পূর্ণবয়স্কদের জন্যঃ ২টি করে প্রতি ৬/৮ ঘণ্টা পর পর
* বাচ্চাদের জন্যঃ বয়স ও ওজন অনুসারে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী
* জ্বর থাকাকালীন রোগী দিনরাত সবসময় মশারির ভিতরে থাকবে

জ্বর থাকাকালীন নিম্নোক্ত ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে
* ব্যথানাশক ঔষধ (এন.এস.এ.আই.ডি গ্রুপ যেমন, ডাইক্লোফেন, আইবুপ্রোফেন, ন্যাপারক্সেন, মেফেন)
* এসপিরিন/ক্রোপিডোপ্রেল (এন্টি প্লাটিলেট গ্রুপ) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
* ওয়ারফারিন (এন্টিকোয়াগুলেন্ট) হৃদরোগীদের জন্য জ্বর থাকাকালীন ও প্লাটিলেট হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
* এন্টিবায়েটিক জাতীয় ঔষধ (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে)

ব্রেকিংনিউজ/এমজি