bnbd-ads
bnbd-ads

তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় বছরে ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা

স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
১১ মার্চ ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ০৩:২১ আপডেট: ০৩:২৩

তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় বছরে ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা

‘তামাকখাত থেকে প্রাপ্ত ২৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে সরকারকে তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের দুর্বল কর ব্যাবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে তামাক কোম্পানিগুলো সরকারকে প্রচুর রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। কারণ তামাকের উপর বর্তমান শুল্ক কাঠামো জটিল ও স্তরভিত্তিক। এই কাঠামো সহজ করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্কনীতি প্রনয়ণ অত্যন্ত জরুরি।’

সোমবার (১১ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘তামাকের স্বাস্থ্য ক্ষতি রোধে তামাক করনীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এই মতামত ব্যক্ত করেন বিশেষজ্ঞরা।  
সভার আয়োজন করে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘যত মানুষ তামাক ব্যবহার করেন তার অন্তত ৫০ ভাগ মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করেন তামাকজনিত রোগের কারণে। পাশাপাশি তামাকজনিত রোগের চিকিৎসার ব্যয় অনেক। এই ব্যয় মেটাতে অনেক পরিবারকে সর্বস্বান্ত হতে হয়। তাছাড়া তামাকের সামাজিক প্রভাবও অনেক। তাই যেই ভাবেই হোক তামাককে রুখতে হবে।’
    
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডাঃ সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, ‘তামাকের যে দৃশ্যমান কর দেখা যায় তা অনেক কম। অনেকক্ষেত্রেই আবার তা আবার হিডেন থাকে, যা সহজে অনেকেই বুঝবে না। কারন তামাকের শুল্ক কাঠামো অত্যন্ত জটিল। বিদ্যমান তামাকের কর ব্যবস্থাকে যদি জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রনে কার্যরত সংগঠনগুলোর সুপারিশের আলোকে সংশোধন করা হলে ২০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব। পাশাপাশি সরকার বছরে অনেক টাকার কর পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি কোনো পণ্যের দাম বাড়লে তার চাহিদা কমে। তামাকের প্রকৃত মূল্য, কর বৃদ্ধি, এবং যোগান কমানোর মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণে সাফল্য পাওয়া যায় এবং তা প্রমাণিত।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ফোকাল পার্সন রুমানা হক, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট পরিচালক গাউস পিয়ারী, হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট তৌফিক মারুফ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন মারুফ , দ্য ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক সৈয়দ মাহবুবুল আলম ও ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের কান্ট্রি অ্যাডভাইজর শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

‌ব্রে‌কিংনিউজ/এএইচএস/জেআই