bnbd-ads
bnbd-ads

‘বিজেপি নয়, তৃণমূলই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে’

ভারত-পাকিস্তান ডেস্ক
১৫ মে ২০১৯, বুধবার
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ আপডেট: ০৪:৪৪

‘বিজেপি নয়, তৃণমূলই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে’

বিজেপি কর্মীরা মূর্তি ভাঙেনি, বরং তৃণমূলই সহানুভূতি কুড়ানোর জন্য বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। 

বুধবার (১৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অমিত শাহ। 

নিজের দাবি প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি যুক্তিও দিয়েছেন তিনি। তার দাবি, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় কলেজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখনও তৃণমূল কর্মীরা কলেজের ভেতরে কী করছিল? কলেজের গেট বন্ধ ছিল, তৃণমূল কর্মীরা ভেতরে ছিল, বিজেপি কর্মীরা বাইরে ছিল, মাঝে পুলিশ ছিল তাহলে বিজেপি কর্মীরা কীভাবে মূর্তি ভাঙবে? ভিতর থেকে কীভাবে মূর্তি বাইরে এল? ঘরের চাবি কার কাছে ছিল? বিজেপি কর্মীদের কাছে তো ছিল না?

বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘ভয় পেয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মতো ঘৃণ্য কাজ তৃণমূল করতে পারে এটা ভেবে আমার নিজেরই খারাপ লাগছে। হারের আশঙ্কা থেকেই এই কাজ ওরা করেছে। বাংলার মানুষ ভোট বাক্সে এর জবাব দেবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভাগ্যের জোরে ওখান থেকে বেঁচে ফিরেছি। সিআরপিএফের নিরাপত্তা ছিল বলে বেঁচে ফিরতে পেরেছি। না হলে আমার পক্ষে বেঁচে ফেরা খুব মুশকিল হত।’ 

এদিকে কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে তাণ্ডবের ঘটনায় বিজেপি’র সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই এফআইআর দায়ের নিয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে অমিত শাহ বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। আমরা ভয় পাই না। মমতা চাইলে নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করতে পারেন।’

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৪ মে ) রাতে বিদ্যাসাগর কলেজে অবস্থিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে ফেলে একদল গেরুয়া পোশাকধারীরা। তারা বেশ কিছু মোটরসাইকেলেও আগুন দেয়। 

ব্রেকিংনিউজ/জেআই

bnbd-ads
MA-in-English
bnbd-ads