এজলাসে কক্ষে হত্যায় পুলিশের গাফলতি রয়েছে: হাইকোর্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ জুলাই ২০১৯, বুধবার
প্রকাশিত: ০৩:১৪

এজলাসে কক্ষে হত্যায় পুলিশের গাফলতি রয়েছে: হাইকোর্ট

কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের এজলাসে বিচারকার্য চলাকালীন সময়ে বিচারকের খাসকামরায় কাঠগড়ায় থাকা হত্যা মামলার এক আসামিকে অপর আসামির ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকতাদের গাফলতি রয়েছে কিনা এবং তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চান হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে, এই ঘটনার পর সারা দেশে বিচার অঙ্গনে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সেটা আগামী ৩০ জুলায়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সারা দেশের সকল আদালত অঙ্গন ও বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট শুনানিতে বুধরার (১৭ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুন বাশার।

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ রিট দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, সোমবার (১৫ জুলাই) আদালত কক্ষে বিচারকের সামনে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। একজন বিচারকের স্ত্রী হিসেবে এ ঘটনায় আমিও উদ্বিগ্ন। তাই দেশের আমি সকল আদালত অঙ্গন ও বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছি।

উল্লেখ্য, সোমবার (১৫ জুলাই) কুমিল্লা আদালতে হত্যা মামলার এক আসামি অপর আসামিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। কুমিল্লার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌসের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় নিহত যুবকের নাম ফারুক হোসেন (২৭)।

অভিযুক্ত আসামি আবুল হাসানকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা মামাতো-ফুফাতো ভাই, তারা তাদের নানা-দাদা হত্যার আসামি। নিহত ফারুক লাকসাম উপজেলার ঘোষপাড়া গ্রামের অহিদ উল্লাহর ছেলে। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। আবুল হাসান একই গ্রামের শহিদুল্লার ছেলে।

ব্রেকিংনিউজ /এসআর/ এসএ 

bnbd-ads