এবার আবরারের রুমমেট মিজানুর রিমান্ডে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
প্রকাশিত: ০৯:৪৬ আপডেট: ০৯:৪৬

এবার আবরারের রুমমেট মিজানুর রিমান্ডে

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় তার রুমমেট মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। 

বুধবার (২৩ অক্টোবর) পুলিশের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম এ আদেশ দেন। 

এদিন পুলিশ মিজানুরকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। 

এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, আলোচিত এ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিতে মিজানুর রহমানের নাম উঠে এসেছে। তাই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে মিজানুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। 

আদালতে মিজানুরের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না। এসময় আদালতের প্রশ্নের জবাবে মিজানুর জানান, আবরার তার রুমমেট ছিলেন। 

গত ১০ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুম থেকে মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অসুস্থ থাকায় এতদিন মিজানুরের রিমান্ড আবেদন করেনি পুলিশ। 

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বুয়েট ছাত্র এ এস এম নাজমুস সাদাত। গত ১৬ অক্টোবর সাদাতকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত। 

এর আগে দুই দফা রিমান্ডের পর আলোচিত এ হত্যা মামলায় গত রবিবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের খাসকামড়ায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর। ৮ অক্টোবর থেকে ৫ দিন ও ১৫ অক্টোবর থেকে আরও ৫ দিন মিলিয়ে দুই দফায় ১০ দিনের রিমান্ডে ছিলেন তানভীর। 

ইতোমধ্যে আবরার হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত ৮ আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ, মেহেদী হাসান ওরফে রবিন, মেফতাহুল ইসলাম, মুজাহিদুল, মনিরুজ্জামান মনির, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর ও এ এস এম নাজমুস সাদাত।

গেল ৫ অক্টোবর বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে-বাংলা হলে নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা। নিহত আবরার বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের মেধাবী ছাত্র ছিলেন। 

এদিকে আবরার হত্যার পরদিন চকবাজার থানায় তার বাবা বরকত উল্লাহর করা মামলায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এরমধ্যে ১৬ জন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads