নিখোঁজ সাংবাদিক মুশফিকুরকে সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ আপডেট: ১০:৪৩

নিখোঁজ সাংবাদিক মুশফিকুরকে সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার

তিনদিন আগে রাজধানী থেকে নিখোঁজ হওয়া সাংবাদিক মুশফিকুর রহমানকে সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পান মুয়াজ্জিন। 

মুশফিকুর বেসরকারি টেলিভিশন মোহনা টিভিতে কর্মরত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার মনিরুল ইসলাম মনি।

মনিরুল ইসলাম মনি জানান, সুনামগঞ্জের একটি মসজিদের পাশে তাকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন মুয়াজ্জিন। পরে স্থানীয় একটি সরকারি মেডিকেলে তাকে ভর্তি করা হয়। এ খবরে গুলশান থেকে পুলিশের একটি টিম সুনামগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

তিনি বলেন, কে বা কারা মুশফিকুরকে ওই মসজিদের সামনে ফেলে যায় জানা যায়নি। তখন তার হুঁশ ছিল। তিনি মসজিদের লোকজনকে বলেন যে, তিনি খুবই ক্লান্ত। তখন তাকে খাবার-পানীয় দেওয়া হয়।

তিনি সেখান থেকে মোবাইল ফোনে বাড়িতেও কথা বলেছেন। তার শার্ট-গেঞ্জি ছেঁড়া দেখা গেছে এবং মারধর করার কিছু আলামত দেখা গেছে। সেখান থেকে পুলিশ তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।



উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশানে মামার সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে মুশফিকের খোঁজ মিলছিলো না বলে অভিযোগ করে তার পরিবার।

সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওই রাতেই গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর-১৯৪) করেন মুশফিকুরের মামা এজাবুল হক।

জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ মুশফিকুর রহমানকে উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

মুশ‌ফিকুর রহমা‌নের মামা এজাবুল হক বলেন, সম্প্র‌তি মুশ‌ফি‌ক তার গ্রা‌মের বাড়ি কু‌মিল্লার দাউদকা‌ন্দি উপ‌জেলার চর‌গোয়ালী খন্দকার না‌জির আহ‌মেদ বহুমুখী বিদ্যাল‌য়ের ম্যানে‌জিং ক‌মি‌টির সভাপ‌তি নির্বা‌চিত হন।

এরপর অজ্ঞাতপরিচয় একব্যক্তি তাকে গত ২১ জুলাই রা‌তে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে প‌রিবারসহ গুম এবং প্রাণনাশের হু‌মকি দেয়। এ ঘটনায় ২২ জুলাই পল্লবী থানায় এক‌টি জিডি করেন মুশফিকুর। 

ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এসএসআর

bnbd-ads