সম্রাটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার
প্রকাশিত: ০২:০০ আপডেট: ০৪:২০

সম্রাটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘তথ্য প্রমাণ পেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাদের বিরুদ্ধেই স্বাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সে যেকোনও ব্যক্তি বা সংস্থার লোক হোক না কেন।’

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফল-২০১৯-এর ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাউকে ছাড়ছি না। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাবো তাকেই আইনের আওতায় নিয়ে আসব। জি কে শামীম কিভাবে এতগুলো টেন্ডার পেয়েছে সেটি অন্য বিষয়। তার বিরুদ্ধে বিস্তারিত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ হাতে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

সাংবাদিকদের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ মনে করেন। তারই নির্দেশনায় একের পর এক যারা দুর্নীতি করছেন, নিয়ম ভাঙছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন কিংবা অবৈধভাবে কোনও ঘটনা ঘটাতে চাচ্ছেন সেগুলোকে আমরা লক্ষ রেখে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছেন। অভিযান চলছে, অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রতিজ্ঞ- আমরা যেভাবে এগিয়ে চলছি ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)’ বা টেকসই উন্নয়নের জন্য সাসটেইনেবল পিচের দরকার, সাসটেইনেবল পিচ যদি পেতে হয় তাহলে সাসটেইনেবল সিকিউরিটি দরকার। সেই সিকিউরিটি আমরা নিচ্ছি। যেখানে দুর্নীতি, যেখানে নিয়ম ভঙ্গকারী যারাই আছে তাদেরকে আমরা বিচারের মুখোমুখি করবো। কেউ আনপানিস্ট (শাস্তি থেকে বাদ) যাবে না।’

ইতিমধ্যে অনেক উন্নয়ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতে হয়েছে। আমরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চায়। যেখানে খুধা, দারিদ্র, নিপীড়ন ও অত্যাচার থাকবে না। সেখানে আমাদের ছেলেমেয়া মাথা উঁচু করে চলবে, তারা বলবে আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আজকের বাংলাদেশের অবস্থান আর দশ বছর আগের বাংলাদেশের অবস্থান অনেক পার্থক্য রয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন- তিনি বদলে দেবেন বাংলাদেশকে। আমরা সেদিন বলেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। তখন অনেকেই অনেক কথা বলেছিলেন কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ স্বপ্ন নয়, বাস্তব।’

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সচেতন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদের উত্থানে দানা বেঁধেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি, এই মাদকের বেচাকেনা কিংবা বিস্তার লাভ করার পেছনেও সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে। প্রযুক্তি আমাদের ব্যবহার করতেই হবে কিন্তু এর খারাপ দিকটা ভেবেচিন্তে সবাই কাজ করবে এটাই তার আহ্বান। জঙ্গিবাদ দমনে আমরা হিমশিম খাচ্ছিলাম। পরে সবার সহযোগীতায় জঙ্গি দমন করতে সক্ষম হয়েছি। নতুন প্রযুক্তি সাইবার ক্রাইম করে অনেকেই পার পাওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু আমাদের নতুন সাইবার ক্রাইম ইউনিট তাদেরকে মোকাবেলা করছে।’

ব্রেকিংনিউজ/ টিটি/ এসএ 

bnbd-ads