যুবলীগের ‘টেন্ডারকিংকে’ গুলশান থানায় হস্তান্তর, র‌্যাবের ৩ মামলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার
প্রকাশিত: ০৪:১৭ আপডেট: ০৬:২৩

যুবলীগের ‘টেন্ডারকিংকে’ গুলশান থানায় হস্তান্তর, র‌্যাবের ৩ মামলা

আটকের প্রায় ২৪ ঘণ্টার পর যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। এর আগে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত বডিগার্ডকে আটক করে র‌্যাব।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাব-১ কার্যালয় থেকে তাদের গুলশান থানায় আনা হয়।

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ের তিনটি মামলা করেছে র‌্যাব। ব্রেকিংনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান।

গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স থেকে শামীমকে আটক করা হয়।

জানা যায়, এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম শামীম ঠিকাদার নামে পরিচিত। রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় শামীম ঠিকাদারি কাজ করে থাকেন। শুধু তাই নয় গণপূর্ত ভবনের বেশি ভাগ ঠিকাদারি কাজ করেন তিনি। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেও গণপূর্তে এই শামীমই ছিলেন ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি। সেই জিকে শামীম এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।

র‌্যাবের সদর দফতর, র‌্যাব ট্রেনিং সেন্টার, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবন, পঙ্গু হাসপাতাল, এনজিও ভবন, নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ভবন, বিজ্ঞান জাদুঘর, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবন, ক্যাবিনেট ভবন, বাসাবো  বৌদ্ধমন্দির, পার্বত্য ভবন, মিরপুর-৬ নম্বরের স্টাফ কোয়ার্টার, সেবা মহাবিদ্যালয় এবং মহাখালী ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণের টেন্ডার পেয়েছে তার প্রতিষ্ঠান।

এর আগে অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। অস্ত্র ও মাদকের পৃথক দুই মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

ব্রেকিংনিউজ/ টিটি/ এসএ 

bnbd-ads