সংবাদ শিরোনামঃ

‘কর্ণফুলী টানেল’ সাউথ এশিয়ায় প্রথম টানেল: কাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট


১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ আপডেট: ০৬:৪৬

‘কর্ণফুলী টানেল’ সাউথ এশিয়ায় প্রথম টানেল: কাদের
ছবি: সালেকুজ্জামান রাজীব

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কর্ণফুলী নদীতে যে টানেল হচ্ছে সেটা সাউথ এশিয়ায় প্রথম। এ চ্যানেলটির নামকরণের ব্যাপারে চট্টগ্রাম থেকে একটি প্রস্তাব এসেছে। যেটার সামারি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। এই চ্যানেলটি নামকরণের প্রস্তাব এসেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্ণফুলী টানেল।’

সোমবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি) বানানীস্থ সেতু ভবনে কর্ণফুলী টানেলের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে সেতু কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন। চার বছর মেয়াদি এ নিরাপত্তা চুক্তির জন্য সেতু বিভাগকে ব্যয় করতে হচ্ছে ৬৫ কোটি টাকা। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের মেগা প্রকল্প গুলোর একটি কর্ণফুলী টানেল। যা ঢাকা থেকে কক্সবাজার গমণকারীদের যাত্রাপথে স্বস্তি দেবে।  চট্টগ্রাম শহরে না ঢুকেই সুযোগ করে দেবে কক্সবাজার যাওয়ার। এতে করে যেমন বাঁচবে ভ্রমণ সময়, ঠিক তেমনই কমবে চট্টগ্রাম শহরের যানজট।’ এ পর্যন্ত এ প্রকল্পে ৩২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

‘আসছে ২৪ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে কর্ণফূলী টানেলের বোরিং মেশিন চালুর মাধ্যমে খনন কাজের উদ্বাধন করবেন। মেশিনটি চালুর প্রস্তুতিমূলক কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে’ বলে জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল  কাদের। 

তিনি বলেন, ‘কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প ৯ হাজার ৮শত’ ৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।  যাতে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা ৩ হাজার ৯শত’ ৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং চীন সরকারের সহায়তা ৫ হাজার ৯শত’ ১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আজকের এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সিকিউরিটি সাপোর্ট ইউনিট কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করবে। চুক্তির মেয়াদ ৪ বছর। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৩২ পার্সেন্ট আমরা আশা করছি ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সিটি বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজার এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমে যাবে। পাশাপাশি ভ্রমণ সময় সময় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।’

চুক্তিপত্রে সেতু বিভাগের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধান প্রকৌশলী মো. ফেরদাউস এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষে নেভাল অপারেশনস এর পরিচালক এবং সেফটি এ্যান্ড সিকিউরিটি  সুপারভিশন কনসালটেন্ট এর প্রধান সমন্বয়ক কমোডর মাহমুদুল মালেক।

ব্রেকিংনিউজ/আরএইচ/জেআই