শোভনের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে তুলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৬:২০ আপডেট: ০৯:৪২

শোভনের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে তুলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ

সংঘর্ষের ছবি তোলায় দায়িত্বরত এক সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া ও ওই সাংবাদিককে তুলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যানটিনের সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় দায়িত্ব পালনের সময় এ ঘটনা ঘটে বলে দৈনিক ইনকিলাবের ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমন জানান।

জানা যায়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরীর সঙ্গে গাড়িতে উঠেছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহরিয়ার কবির ওরফে বিদ্যুৎ এবং  তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে জহির। গাড়ির ভেতরে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের সভাপতি তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলে দুজনের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও পরে মারামারি হয়। 

এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত ইনকিলাবের রিপোর্টারের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নেয় কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এ সময় এ রিপোর্টারকে জোর করে শোভনের গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী ইমন সাংবাদিকদের জানান, মধুর ক্যানটিনের বাইরে পাবলিক প্লেসে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সিনিয়র সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় আমাকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়। তারা জোর করে আমার মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দেয়। পরে অনুরোধ করলে হাতিরপুল বাজারের কাছে আমাকে গাড়ি থেকে নামতে দেয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন বলেন, ঘটনাস্থালে তাকে কেউ চিনে না। তাকে কেউ যদি মারধর করে সে জন্য তাকে আমার গাড়িতে উঠিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তাকে জোর করা হয়নি। তার মোবাইল থেকে ভিডিও ডিলিট করার বিষয়টি জানি না।

সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমি তাকে গাড়িতে উঠাই নাই। তবে তাকে যে গাড়িতে উঠানো হয়েছে তা শোভন ভাই জানেন। মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ডিলিট করিনি।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ