bnbd-ads
bnbd-ads

৭ ধাপে পাড়া হবে রাজশাহীর আম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী
১৩ মে ২০১৯, সোমবার
প্রকাশিত: ০৮:৫৫

৭ ধাপে পাড়া হবে রাজশাহীর আম

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বছর সাত ধাপে পাড়া হবে রাজশাহীর আম। আগামী ১৫ মে শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের আম পাড়া। আমের জাত এবং বৈশিষ্ট্যর ভিন্নতা অনুযায়ী আম পাড়ার সময় নিদ্ধারণ করা হয়েছে।

রবিবার (১২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সভায় আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সাধারণত গুটি জাতের আম সবার আগে পাকায় এ জাতের আম দিয়েই আম পাড়া উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই আমটি ১৫ মে থেকে পাড়তে পারবেন চাষিরা। 

এছাড়া উন্নত জাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, রানীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাতা বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৬ মে থেকে। ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম্রপালি এবং ফজলি ১৬ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১৭ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা জাতের আম।

অপরিপক্ব আমের বাজারজাত ঠেকাতে রাজশাহী জেলা প্রশাসন গত কয়েক বছর ধরে আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করে দেয়। এবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভা ডাকা হয়। জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। সভায় আম চাষি, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিধিরা তাদের বক্তব্যে তারিখ নির্ধারণের পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন। অপরিপক্ব আম যেন কোনোভাবেই বাজারে না আসে, তার জন্য তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা (ইউএনও)। শেষ পর্যন্ত তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি কোনো বাগানে আম পেকে যায়, তাহলে চাষি তা নামাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টি লিখিতভাবে ইউএনও’কে জানাতে হবে। তারপর ইউএনও সরেজমিন বাগান পরিদর্শন করবেন। বাগানে তিনি প্রাকৃতিকভাবে আম পাকা দেখলে তা নামানোর অনুমতি দেবেন। এরপরই আম নামিয়ে বাজারে পাঠাতে পারবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

সভায় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, গত বছর আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করে দেয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। তারা নিশ্চিত ছিলেন যে, কোনো রাসায়নিক মিশিয়ে রাজশাহীর আম পাকানো হয়নি, এটা প্রাকৃতিকভাবেই পেকেছে। ফলে রাজশাহীর আমের সুনাম অক্ষুণ্ণ ছিল। এবারও থাকবে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আবদুল আলীম, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক, রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু, পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু, বাঘার আমচাষি জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/এসএসআর

bnbd-ads
MA-in-English
bnbd-ads