bnbd-ads
bnbd-ads

বিশ্বকাপের সবচেয়ে ধামাকাদার ওপেনিং জুটি হতে পারেন যারা

স্পোর্টস ডেস্ক
২২ মে ২০১৯, বুধবার
প্রকাশিত: ০৫:০৭

বিশ্বকাপের সবচেয়ে ধামাকাদার ওপেনিং জুটি হতে পারেন যারা

আর মাত্র সাত দিন পরই পর্দা উঠবে আইসিসি বিশ্বকাপের। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের দেশ ইংল্যান্ডে চলে গেছে অনেক দল। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রতিটি দলই নিজস্ব স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে তৈরি মহারণের জন্য। ইংল্যান্ডের পরিবেশে প্রতিটা দলই প্রচুর রান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

এই অবস্থায় দলের মূল শক্তি ব্যাটিং হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। বিশেষ করে ওপেনারদের উপরে অনেকটাই দায়িত্ব বর্তাবে দলের বড় স্কোর গড়ার ক্ষেত্রে। দেখে নেয়া যাক কোন দলের ওপেনিং শক্তি কেমন:


বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ওপেনিং জুটি নিয়ে মধুর সমস্যা রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তামিম ইকবাল তো রয়েইছেন, তবে তার সঙ্গে লিটন দাস বা সৌম্য সরকারের মধ্যে যে কোনও একজন থাকতে পারেন। তবে সৌম্য সরকারের ওপেনিং করারই সম্ভাবনা খুব বেশি।  তামিম-সরকারের ব্যাটিং গড় ৪৪.৬১, অন্যদিকে তামিম-লিটনের গড় ২৮। তাই সৌম্যই এগিয়ে থাকছেন।


ভারতের ক্ষেত্রে ওপেনিং জুটিকেই সেরা বলা হচ্ছে বিশ্বকাপে। শিখর ধাওয়ান এবং রোহিত শর্মা থাকছেন টিম ইন্ডিয়ার ওপেনিংয়ে। ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে এই জুটিকে সেরা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ১০৩ ইনিংসে রোহিত-ধাওয়ান ৪৫৮৬ রান করেছেন। গড়ও চমৎকার, ৪৫। পার্টনারশিপে সর্বোচ্চ ২১০ রান করেছেন তারা।


ফখর জামান, ইমাম-উল-হক পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির মধ্যে নিয়মিত। ফখর আগ্রাসী খেললে ইমাম ইনিংস গড়ার কাজ করেন। ব্যাটিং গড় ৫৮। ২৪টি ইনিংসে চারটি সেঞ্চুরি, পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরি, ১২৬৭ রান, গড় ৫৮ এটাই তাদের ওপেনিং পরিসংখ্যান। ইংল্যান্ডে সম্প্রতি চমৎকার খেলেছেন।


শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে ওপেন করার দায়িত্ব থাকতে পারে ডিমুথ করুণারত্নের উপরে। যদিও ১ মার্চ ২০১৫ সালে শেষবারের মতো একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। নয়তো ১৯৯৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ক্ষেত্রে অভিষ্কা ফার্নান্দো বা লাহিরু থিরিমানে ওপেনের দায়িত্ব নিতে পারেন। দুর্বলতম ওপেনিং বললে ভুল হবে না।


ক্রিস গেইল এবং এভিন লুইস উইন্ডিজের ওপেনিং জুটি। তবে তেমন সফল নয় এই জুটি। মোটে ৩৮৩ রান রয়েছে তাদের জুটিতে। গড় মাত্র ৩০। যদিও নিজেদের দিনে যে কোনও বোলিং আক্রমণ সামলাতে সফল তারা। তাই এদের বিকল্প এখনও ভাবেনি ক্যারিবীয় দল।


ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ইংল্যান্ড। জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টোই সেরা ওপেনিং জুটি দলের ক্ষেত্রে। ৫৭ গড় রয়েছে তাদের। মোট রান ১৭৬২। ৩০টি ইনিংসে, সাতটি সেঞ্চুরি, আটটি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। মাত্র ৩০ ইনিংসে ১৫ বারেরও বেশি ৫০ বা তার বেশি রান করেছে এই জুটি।


দক্ষিণ আফ্রিকার হাসিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক সবচেয়ে বেশি সফল ওপেনিং জুটি। ককের আগ্রাসী ভঙ্গি ও হাসিমের ইনিংস গড়ার ক্ষমতা দুই’ই রয়েছে। ৯ বছর একসঙ্গে খেলছেন, ৪১১৬ রান, ১০টি সেঞ্চুরি, ১৫টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে দখলে।


ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ অস্ট্রেলিয়ার বিস্ফোরক জুটি। ২০১৪ থেকে এক সঙ্গে খেলছেন। ২১২৬ রান করেছেন দু’জনে। ৪৪ গড়। পাঁচটি সেঞ্চুরি, দশটি হাফ সেঞ্চুরিও রয়েছে। সর্বোচ্চ রান এই জুটির ক্ষেত্রে ২৩১।


নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে মার্টিন গাপ্টিল ও কলিন মুনরো জুটিরই ওপেন করার সম্ভাবনা। দু’জনের গড় ২৫, সেঞ্চুরিও নেই ওপেনিংয়ে। তাই হেনরি নিকলসকে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে মুনরোর বদলে।


আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে ওপেনিং জুটি সেই অর্থে ঠিক নেই। মোহাম্মদ শাহজাদ ওপেন করতে পারেন। আবার শাহজাদের সঙ্গে নামতে পারেন হজরতুল্লা জাজাই বা নুর আলি জাদরান। শাহজাদ ও জাদরানের ওপেনিং গড় ৩৩।

ব্রেকিংনিউজ/এসএম