বেরোবিতে ‘বি’ ইউনিটে ১ম হওয়া শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

বেরোবি সংবাদদাতা
৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার
প্রকাশিত: ০১:৩৯

বেরোবিতে ‘বি’ ইউনিটে ১ম হওয়া শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটের মেধা তালিকায় প্রথম হওয়া পরীক্ষার্থীর বিষয়ে অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাাফা কামাল এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক এবং ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুর আলম সিদ্দিককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. সানজিদ ইসলাম খান। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে সিনিয়র শিক্ষকদেরকে কমিটিতে না রাখায় এই কমিটির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষকগণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘আমরা এই তদন্ত কমিটি মানি না। এতবড় একটি বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রমে একজন প্রভাষক কিভাবে সদস্য সচিব হয়? বিশ্ববিদ্যারয়ের সিনিয়র অধ্যাপকদের দিয়ে তদন্ত কমিটি করতে হবে। প্রয়োজনে ইউজিসি সদস্যগণের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি করতে হবে।’

নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদ মন্ডল বলেন, ‘বি’ ইউনিটকে ঘিরে যে অভিযোগ উঠেছে তাতে উপাচার্যের নিজের সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আছে। কাজেই তার দ্বারা গঠিত কোনো তদন্ত কমিটিই গ্রহণযোগ্য হবে না। উপাচার্যের অনুসারী এবং অনভিজ্ঞদের  দ্বারা এই কমিটি গঠিত হয়েছে। ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তা না মানা হলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামালের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাইস চ্যান্সেলর এখন দেশের বাইরে আছেন। তিনি আমাকে অফিসিয়াল ভার্সন দিতে নিষেধ করেছেন।’

উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের (স্নাতক) ভর্তি পরীক্ষায় দুইটি ইউনিটে ফেল করলেও ‘বি’ ইউনিটে (সামাজিক বিজ্ঞান) মানবিক থেকে রেকর্ড পরিমাণ মার্কস নিয়ে প্রথম হয়েছেন মোছা. মিশকাতুল জান্নাত নামে এক ভর্তিচ্ছু। অথচ, ‘বি’ ইউনিটে তিনি যে পরিমাণ মার্কস পেয়েছেন ছয়টি অনুষদের ১৬টি শিফটে কেউ সে পরিমাণ মার্কস তুলতে পারেনি। মিশকাতুল জান্নাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ঘনিষ্ট এক শিক্ষকের বোন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক। রেজিস্ট্রার কর্নেল আবু হেনা মুস্তাফা কামালের কাছে শিক্ষকগণ এ সংক্রান্ত একটি লিখিত দাবি পেশ করলে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি